সাভারে রিপন কাজী সরদার (৩৮) নামে এক ব্যক্তির জবাই করা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাসুদ (৩২) ও তার স্ত্রী প্রিয়া আক্তারকে (২২) আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হরিণধরা এলাকা একটি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রিপন কাজী সরদার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার সোনাখোলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করতেন। অপরদিকে আটককৃত মাসুদের বাড়ি শেরপুরে এবং প্রিয়া আক্তারের বাড়ি নোয়াখালী। তারা সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের হরিণধরা এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।
স্থানীয়রা জানায়, নিহত রিপন কাজী সরদারের সাথে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার। রাতে ওই ভাড়াটিয়া রিপন কাজী সরদারকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে লাশ বস্তায় ভরে গুম করার চেষ্টা করে। এসময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি দেখে ফেললে হত্যাকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়। এসময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকারীর স্ত্রী প্রিয়া আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
সাভার মডেল থানার ট্যানারী পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. রাসেল মোল্লা বলেন, নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত মূল আসামি ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ হত্যার কথা স্বীকার করেছে। মাসুদ জানায়, রাতে স্ত্রীকে রেখে বাইরে যান তিনি। পরে বাসায় ফিরে এসে রিপনকে তার স্ত্রী সাথে ঘরের ভিতরে দেখতে পাওয়ায় কুপিয়ে হত্যা করে।
রাসেল মোল্লা জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে।
