যার অনুসরণে মিলবে আল্লাহর ভালোবাসা

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:১৩ এএম

সর্বশেষ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের আদর্শ। দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই। শুধু ধর্মীয় কাজে নয়, বরং দুনিয়ার কাজেও তিনি আমাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব ২১)

হজরত রাসুল (সা.)-এর আনুগত্য আল্লাহপ্রীতির নিদর্শন। তাকে মান্য করলে পাওয়া যাবে মহান আল্লাহর ভালোবাসা। তাই আল্লাহকে ভালোবাসতে চাইলে আগে নবীজির নিখাদ আনুগত্য লাগবে। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আপনি বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ করো আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপগুলো ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আলে ইমরান ৩১)

আল্লাহ কর্তৃক নবীজির আনুগত্যের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার আনুগত্য মানে মহান আল্লাহর আনুগত্য। কারণ তিনি আল্লাহর বার্তাবাহক। মহান আল্লাহর কথাগুলো তিনি পৌঁছে দেন মানুষের মধ্যে কাউকে কোনো কাজে বাধ্য করা তার দায়িত্ব নয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাসুলের আনুগত্য করল, সে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে মুখ ফিরিয়ে নিল, আমি আপনাকে তাদের পর্যবেক্ষকরূপে পাঠাইনি।’ (সুরা নিসা ৮০) অন্যত্র আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আপনি তাদের ওপর জোর-জবরদস্তিকারী নন।’ (সুরা গাশিয়াহ ২২)

নবীজির অবাধ্যতা মানে মহান আল্লাহর অবাধ্যতা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করে, সে আল্লাহরই আনুগত্য করে। আর যে ব্যক্তি আমার অবাধ্যাচরণ করে সে আল্লাহরই অবাধ্যাচরণ করে। (ইবনে মাজাহ)

যে ব্যক্তি হজরত রাসুল (সা.)-কে মহব্বত করবে, সে জান্নাতে তার সঙ্গে থাকবে। এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার সুন্নত জিন্দা করে, সে আমাকে ভালোবাসে। আর যে আমাকে ভালোবাসে, সে জান্নাতে আমার সঙ্গে থাকবে। (মুজামুল আউসা)

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত