ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল নামের এক যুবককে পিটিয়ে মেরেছে আবাসিক ছাত্ররা। নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরিশালের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠাল তলি ইউনিয়নে। তার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন জানা গেছে।
অন্যদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল শিক্ষার্থীর হামলায় আহত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শামীম আহমেদ ওরফে শামীম মোল্লা মারা গেছেন। সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একদল শিক্ষার্থী শামীম মোল্লাকে পিটিয়ে আহত করেন।
এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সামাজিক মাধ্যম। জাহাঙ্গীর নগর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হলে এমন ঘটনা মানতে পারছেন না কেউই। প্রতিবাদমুখর হয়েছেন সাধারণ মানুষ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। জানতে চেয়েছেন, গণপিটুনিকে কেন নরমালাইজ করা হচ্ছে। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, ‘গণপিটুনিকে নরমালাইজ করা হচ্ছে কেন?’
অভিনেত্রীর ভক্ত-অনুরাগীরা তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন। কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, ‘আবরার ফাহাদ সে তার শেষ সময়ে একটু পানি চেয়েছিলো এবং তোফাজ্জল ভাই কে ভাত খাওয়ানো হয়। দুই ঘটনা একই রকম মনে হয় আমার এর বিচার আজকের ভিতর করা দরকার, কে মেধাবী কে ঢাবি ছাত্র এইসব এখন আর দেখার সময় না। বিচার করতে হবে, মানে করতে হবে।’
নিজের বিশেষ গোপন কথা প্রকাশ করলেন ইলিয়াস কাঞ্চন
গায়িকা রুকসানাকে বিষপ্রয়োগে হত্যা!