পেশাজীবী সংগঠন করে রাজনীতি করলে জনগণ তাদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এতে রাজনৈতিক প্রভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করতে পারেন না পেশাজীবীরা। আর তাই পেশাজীবী যারা তাদের রাজনীতি থেকে বিরত থাকার কোনো বিকল্প নেই।
নাগরিক প্লাটফর্ম ‘একটি জাতীর কণ্ঠ- বাংলাদেশ’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
গতকাল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রে নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মোঃ ইসমাইল হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ঐক্যমতের মাধ্যমেই নিতে হবে। তা না হলে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ হয়ে উঠবে না। মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ কখনো সাম্প্রদায়িক হতে পারবে না, কারণ এ দেশের জনগণ তা হতে দিবে না।’
ভারত নিয়ে আলোচনায় ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা ভারতকে আদি রাষ্ট্র মনে করি। তাই প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে অবশ্যই বন্ধু রাষ্ট্র ভাবতে হবে। তাদের মনে রাখতে হবে ভারতকে স্বাধীন করবার পেছনে আমাদের সংগ্রাম ও রক্তের ইতিহাস আছে। ভারতকে প্রমাণ করতে হবে তারা সাম্প্রদায়িক নাকি অসাম্প্রদায়িক অথবা গণতান্ত্রিক।’
ইসমাইল হোসেন জানান, রাজনৈতিক দলের বাইরে সাধারণ মানুষের না বলা কথাগুলো উপস্থাপন করতে কাজ করবে নতুন সংগঠন ‘একটি জাতীর কণ্ঠ- বাংলাদেশ’। সব জেলা-উপজেলা থেকে এর সদস্য হতে পারবেন যেকোনো নাগরিক। তবে সম্পৃক্ত থাকা যাবে না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে।
চারটি ভাগে দায়িত্ব বন্টন করে রাষ্ট্র পরিচালনার একটি পরিকল্পনাও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। যেখানে নির্বাহী বিভাগের আওতায় থাকবে- অর্থনীতি, রাজস্ব, সুশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আইনের প্রয়োগ। আইন বিভাগে থাকবে- নির্বাচিত সংসদ, সংসদীয় কার্যক্রম ও আইন প্রণয়ন। বিচার বিভাগে থাকবে- উচ্চ আদালত, নিম্ন আদালত ও বিচার ব্যবস্থা। সবশেষ স্বাধীন গণমাধ্যমে থাকবে দক্ষ সাংবাদিকতা, তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ এবং গণমাধ্যমের বলিষ্ঠ ভূমিকা।
