ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ!

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:৫৬ পিএম

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চর মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মিরণ উদ্দিন ভূঁইয়া। তার বিরুদ্ধে গত দুই-তিন মাসে হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সের প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

চর মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তারেক রহমান রকি অভিযোগ করে বলেন, কেউ জন্মসনদ ওয়ারিশ সনদ নিতে গেলে সচিবকে ২০০-৩০০ টাকা দিতে হয়। তার কাছে হোল্ডিং, ট্রেড লাইসেন্সের প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা রয়েছে। সরকার পতনের পর চেয়ারম্যান মো. ইউছুফ আলী আসছে না। পরিষদের সব আয়-ব্যয়ের হিসাব সচিব দেখেন। সচিবের কাছে পরিষদের হোল্ডিং, ট্রেড লাইসেন্সের টাকার হিসাব চাইলে দিচ্ছে না। এছাড়াও পরিষদের পুরো দায়িত্বভার সচিব নিজেই দেখেন। তার বিরুদ্ধে প্রতিদিনই মানুষের অভিযোগ থাকে।

মো. ইমান আলী নামে আরেক ইউপি সদস্য জানান, পরিষদের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ সচিব দেখেন। গত ২-৩ মাসের পরিষদের হোল্ডিং, ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার হিসাব দিচ্ছেন না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে জন্মসনদ, ওয়ারিশ সনদে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চেয়ারম্যান মো. ইউছুফ আলী মিয়া কার্যালয়ে আসেন না। প্যানেল সবগুলো চেয়ারম্যানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তারাও পরিষদে আসছেন না। তখন থেকে পরিষদের যাবতীয় হিসাব সচিব একাই দেখেন।

অভিযুক্ত চর মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মিরণ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, জন্মসনদ, ওয়ারিশ সনদের ফি বাবদ ১০০ টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া কোনো হোল্ডিং, ট্রেড লাইসেন্সের টাকা আত্মসাৎ করিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূচিত্র রঞ্জন দাস দেশ রূপান্তরকে জানান, চর মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদে কিছু ঝামেলা হয়েছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত