এই সংকট সাময়িক || পার্থ প্রদীপ সরকার
পুরনো মেশিনের কারণে ডিরেটিং হয়ে, প্রকৃত জেনারেশন ক্যাপাসিটি কমে যায়। বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে। তার মানে এই নয় যে, আমরা অন্ধকারে নিমজ্জিত হব। সাময়িক সমস্যা হতে পারে, তবে অচিরেই সমাধান হবে।
গ্যাস স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দেশের অনেক জায়গায় বিঘ্নিত হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে, অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় স্বাভাবিক হবে। মনে রাখতে হবে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে দেশব্যাপী লোডশেডিং বেড়েছে। বেশি লোডশেডিং দেখা দিয়েছে গ্রামাঞ্চলে। ডলার সংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় উৎপাদন কমেছিল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে। অল্প সময়ের মধ্যেই এ রকম সমস্যা থাকবে না। স্বাভাবিক হয়ে যাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ। তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং এর কনজামশন নির্বিঘ্ন রাখতে আমাদেরও কিছু করার আছে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
প্রকট হবে লোডশেডিং || আহসান রাজীব বুলবুল
যেসব সমস্যার কারণে এই সংকট, তা নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনো নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে নেওয়া হবে, এমন কোনো লক্ষণও চোখে পড়ছে না। আগামীতে নিঃসন্দেহে এই সংকট আরও প্রকট হবে।
কয়েকদিন ধরে দেশে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে নাকাল মানুষ। ডলার সংকটের ফলে জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন কমেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভর জ্বালানির এই খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের বকেয়াও বাড়ছে। ফলে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। দেশে বর্তমানে উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের কম। ভুলে গেলে চলবে না, সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ আসে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। আগে সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। অথচ এখন...
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
এই সংকট সাময়িক
প্রকট হবে লোডশেডিং