নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রণালয় করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং নৌ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রণালয় করার প্রস্তাব করা হবে। আমি নৌকা চালাই না, জাহাজ চালাই।
গতকাল শনিবার সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ মানবাধিকার প্রসঙ্গ’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পুলিশে অবশ্যই সংস্কার প্রয়োজন। তারা নিজেরাও সেটা চাচ্ছে। এজন্য পুলিশ কমিশন করতে হবে। পুলিশকে যদি মানুষের বন্ধু বানাতে হয়, তবে সংস্কার করতেই হবে। তিনি বলেন, পুলিশের অস্ত্র কী করে সাধারণ মানুষের হাতে গেল? তা নিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন।
নৌ উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে যে দলই ক্ষমতায় যায়, তারা সেই ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রাখে। পলিটিক্যাল পার্টি অ্যাক্ট নিয়ে কাজ করা হবে। ৫ তারিখ সরকারের পতন না হলে আমি এবং আমার সঙ্গের লোকজন আয়নাঘরে বন্দি হতাম।
অন্তর্র্বর্তী সরকার অবশ্যই রোডম্যাপ দেবেন উল্লেখ করে ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে ছয়টি কমিশন ফর্ম করেছে, তারা কাজ করছে এবং সেখানেও রাজনীতিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে আলোচনার মাধ্যমে।
সিজিএসের চেয়ারম্যান মুনিরা খান বলেন, বিগত সরকারের আমলে মানবাধিকার কমিশন নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বচ্ছতা ধরে রেখে খুব একটা কাজ করেছে বলে আমরা দেখতে পাইনি। কীভাবে কাজ করলে, কী করলে আমরা স্বৈরাচারের হাতে পড়ব না, তা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সময় আমাদের এই সরকারকে দিতে হবে। আমরা যেন অধীর না হই, অধৈর্য না হই, ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করা আমাদের সবার প্রয়োজন।
সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, দেশে মানুষের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার, মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
