অনন্যার ক্যারিয়ারের সেরা কাজ ‘সিটিআরএল’, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগ কাশ্যপ

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৪:২৯ পিএম

অনন্যা পান্ডে অভিনীত ‘সিটিআরএল’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ পরিচালক-অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ। এটিকে অনন্যার ক্যারিয়ারের সেরা কাজের তকমা দিয়েছেন তিনি। গত ৪ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে পরিচালিত এ ছবিটি। 

সিনেমাটি নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন অনুরাগ। সেখানে তিনি জানিয়েছে যে, বিক্রমাদিত্য আরও একটি দুর্দান্ত কাজ করেছেন। ‘সিটিআরএল’-এর পরিচালককে প্রযুক্তি নিয়ে এমন কাজ করার জন্য প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি গল্প বলার ধরণেও প্রশংসা করেছেন। 

বিক্রমাদিত্যের প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আপনারা মানুষটার ব্যপ্তির সমন্ধে ধারণা করতে পারবেন না, ওকে সীমাবদ্ধ করে রাখা যায় না। তিনি ওর আশেপাশে থাকা সকলের চেয়ে সব সময় বেশি সাহসী। আমার জন্য তিনি সব সময় এমন একজন মানুষ যিনি আমাকে আমার প্রথম স্টিল ক্যামেরার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে সাউন্ড ডিজাইন এবং এর গুরুত্ব শিখিয়েছিলেন। তিনি আমাকে ম্যাক বুকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। বিক্রমাদিত্য সব সময় সবার থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকেন। আর এবারও তিনি সব কিছু  ঊর্ধ্বে  গিয়ে ভবিষতের হরর কাহিনী তৈরি করেছেন।’

অনুরাগ কাশ্যপ অনন্যা পান্ডেরও প্রশংসা করেছেন। তার মতে, এটা অনন্যার ‘ক্যারিয়ারের সেরা’অভিনয়। অনন্যা প্রসঙ্গে অনুরাগ বলেন, ‘এটা একটা থ্রিলার, বেশ ভয়ঙ্করও। এটা একটা দুঃস্বপ্ন। আর সেটাকে অনন্যা খুব সুন্দর করে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। এটা ওর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। আমি ওর এই কাজ পর্দায় দেখার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করছি। কিন্তু সবার তো সেই সুযোগ ঘটেনি। তাই সকলের জন্য এটি নেটফ্লিক্সে স্ট্রিম হচ্ছে। ভালো হেডফোন নিয়ে এটি দেখুন।’

‘সিটিআরএল’-এর গল্প লিখেছেন অবিনাশ সম্পাথ। বিভিন্ন কারণে এক প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক ভেঙে যায়। কিন্তু সেই সম্পর্ক ভাঙার জন্য সকলে মেয়েটিকেই দায়ী করতে থাকে। তখন মেয়েটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়ে ছেলেটির সব স্মৃতি তার জীবন থেকে ভুলে যেতে চায়। আর তা করতে গিয়েই ছেলেটি উধাও হয়ে যায়। এর পিছনে কী রয়েছে? কোথায় গেল ছেলেটি? সেই গল্পই ফুটে উঠেছে এতে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ভয়াবহ দিক ফুটে উঠেছে এই গল্পে।

অনন্যা পান্ডে তার নতুন কাজ নিয়ে বলেছেন, ‘আমি টেক-স্যাভি নই, তাই আমি এআই সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলাম, কিন্তু এই সিরিজটা করার পর আমার হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। শুরুতে ভাবতেই পারতাম না যে, এটা বাস্তবে ঘটতে পারে। কিন্তু এখন ছবিটা আলাদা। আমরা মতে এটা মজার বিষয় নয়, আর আমাদের এই কাজকে প্রায় একটা তথ্যচিত্রও বলা যেতে পারে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত