নিখোঁজের সাত ঘণ্টা পর ঘেরে দুই শিশুর মরদেহ

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৪, ১২:১০ এএম

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিখোঁজের সাত ঘণ্টা পর মৎস্যঘের থেকে আবু বক্কর ছিদ্দিক (৮) ও নাজেম উদ্দিন (৫) নামে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পেকুয়া সদর ইউপির পশ্চিম সিরাদিয়া এলাকায় বাড়ির পাশের একটি মৎস্যঘের থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আবু বক্কর ছিদ্দিক ও নাজেম উদ্দিন ওই এলাকার ওয়াজ উদ্দিন এবং নজরুল ইসলামের ছেলে। তারা দুজনই চাচাতো ভাই ও স্থানীয় নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মানিক জানান, সকাল ১০টার দিকে আবু বক্কর ছিদ্দিক ও নাজেম উদ্দিন খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য স্থানে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। পরে বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের একটি মৎস্যঘেরে ওই দুই শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সেলিনা আক্তার (৫০) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার বিকেলে বন্দরের কুশিয়ারা এলাকার নিজ বাড়ির একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সেলিনা আক্তার তিনগাঁও এলাকার রবিউল মিয়ার স্ত্রী। নবীগঞ্জ রেললাইন ও কুশিয়ারা তিনগাঁও এলাকায় তার দুটি বাড়ি রয়েছে, এর মধ্যে একটি।

জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর রাতে নবীগঞ্জ রেললাইনের বাড়ি থেকে ঘরের কাজ শেষ করে বেরিয়ে পড়েন সেলিনা। পরের দিন সকালে মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে ছেলেরা সেলিনাকে খুঁজতে বের হন। তারা নতুন বাড়ি তিনগাঁও কুশিয়ারায় গিয়ে বাইরের গেট তালাবদ্ধ দেখে ফিরে যান। এরপর থেকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গতকাল ওই বাড়ির কাছে এসে গেট তালাবদ্ধ দেখে সেলিনার বড় ছেলের স্ত্রী ফাতেমা উঁকি দিয়ে দেখতে পান ভেতরের ঘরের দরজা খোলা। তারপর গেটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সেলিনার অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই সিরাজুল বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ সম্পর্কে সিআইডিকে জানাই।’

নিহতের স্বামী রবিউলের ভাষ্যমতে, নিহত সেলিনা ১৪ বছর প্রবাসে ছিলেন। তার সঙ্গে নুরু এবং রাজা মিয়ার টাকাপয়সার লেনদেন ছিল। নুরুর কাছে পাঁচ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন সেলিনা। তার সন্দেহ, পাওনা টাকা লেনদেনের কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত।

বন্দর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকা-। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত