এবি পার্টির আহ্বায়ক পদ ছেড়েছেন এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী। অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দিতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সোলায়মান চৌধুরী ফেসবুকে আহ্বায়ক পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন। রাত ১০টার দিকে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আহ্বায়ক পদ ছাড়লেও সাধারণ সদস্য হিসেবে এবি পার্টিতেই থাকছেন।
জনপ্রশাসন সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করা সোলায়মান চৌধুরী ২০০১ সালে ফেনীর জেলা প্রশাসক থাকার সময় ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত জয়নাল আবেদীন হাজারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন।
এবি পার্টি সূত্র জানিয়েছে, সোলায়মান চৌধুরী সরকারি পদের আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মনজু গণমাধ্যমকে জানান, তিনি সরকারি পদে যাচ্ছেন কিনা বা পদত্যাগের কারণ জানা নেই। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেউ সরকারি পদে থাকলে এবি পার্টির দায়িত্বে থাকতে পারেন না।
সরকারি চাকরির পর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছিলেন সোলায়মান চৌধুরী। মজলিসে শুরা থেকে পদত্যাগ করে, দলটির অন্য নেতাদের নিয়ে ২০২০ সালে গঠন করেন এবি পার্টি। ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে দলটির সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। আওয়ামী লীগের পতনের পর নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনও পেয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতার এবি পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
