সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় ভারত সরকারের কাছে আবারও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। গতকাল বুধবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে পাঠানো চিঠিতে সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বন্ধের পাশাপাশি সব কটি ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনায় এ প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়। গতকাল সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। চিঠিতে বলা হয়, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে ভারতীয় কর্র্তৃপক্ষের অব্যাহত আশ্বাসের পরও বিএসএফের হাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে বাংলাদেশ উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশ সরকার জোর দিয়ে বলেছে, সীমান্ত হত্যার এ ধরনের ঘটনা অনাকাক্সিক্ষত ও অযাচিত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের জন্য বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নির্দেশিকা- ১৯৭৫-এর লঙ্ঘন। বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারকে এ ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করতে এবং সব সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত পরিচালনা করার পাশাপাশি দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের গত দুই মাসে ভারতের বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো এটি তৃতীয় প্রতিবাদপত্র। কয়েক দিন আগে মৌলভীবাজার সীমান্তে কিশোরী স্বর্ণা দাশ ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে কিশোর জয়ন্ত কুমার সিংহ বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়। এ দুটি ঘটনায়ও ভারতের কাছে দুটি কড়া প্রতিবাদপত্র পাঠায় বাংলাদেশ।
