প্রথম ইনিংসে ৩ সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের জড়ো করা ৫৫৬ রানে বিশাল পুঁজিতে মুলতান টেস্ট হেলে পড়েছিল স্বাগতিকদের দিকে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের মাস্টারক্লাস ব্যাটিং মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে মুলতান টেস্টের। চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা পাকিস্তান এখন হারের মুখে। ৬ উইকেটে ১৫২ রানে দিন শেষ করলেও এখনো ইংল্যান্ডের চেয়ে তারা পিছিয়ে ১১৫ রানে।
প্রথম ইনিংসে বিশাল সংগ্রহ গড়েও হেরে যাওয়ার তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৬-১৭ মৌসুমে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট ৫৯৫ রান করেও হেরেছিল বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৯৪-৯৫ মৌসুমে ৫৮৬ রান করার পরও হারতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। আর ২০০৩-০৪ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে ৫৫৬ রানের পুঁজি গড়েও হেরে গিয়েছিল অজিরা।
১৪৭ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ট্রিপল সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া হ্যারি ব্রুক এবং গতকাল ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান শিকারী হওয়ার পর আজ ২৬২ রানের ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংস খেলা জো রুটের কল্যাণে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৮২৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড। গড়ে একের পর এক রেকর্ড।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান করেছিল ৫৫৬ রান। ২৬৭ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করেছে ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ইনিংসে নামে ধস। ৮২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা পাকিস্তান দিনের শেষভাগটুকু টিকে ছিল আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান সালমান আগা ও বোলার আমির জামালের ৭০ রানের জুটিতে। জোড়া উইকেট শিকার করেন ব্রাইডন কার্স ও গাস আটকিনসন।
এর আগে ৭ উইকেটে ৮২৩ রান করে পিচে থাকা ক্রিস ওকস ও ব্রাইডন কার্সকে ডেকে নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ওলি পোপ। যা টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রানের তালিকায় চতুর্থতম। শ্রীলঙ্কা ১৯৯৭ সালে ৯৫২/৬ উইকেট করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। সেদিন সনাথ জয়াসুরিয়া করেছিলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন। ইংল্যান্ডই একমাত্র অন্য দল যারা ৯০০ রান মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ৯০৩/৭ রান করে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্য ওভালে আগস্ট ১৯৩৮ সালে। টেস্ট ক্রিকেটের তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় মোট রানও ইংল্যান্ডের দখলে, যারা ১৯৩০ সালের এপ্রিল মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে কিংস্টনে ৮৪৯ রান করেছে।
বিষাদের সুর ছড়িয়ে টেনিসকে বিদায় নাদালের
টেস্টে চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে ছাড়লো ইংল্যান্ড