বাংলাদেশ থেকে যারা ২০২৫ সালে পবিত্র হজ পালনে ইচ্ছুক তাদের ২৩ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অনুরোধ করেছে সরকার। গতকাল রবিবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ এ সংক্রান্ত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি সরকারের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে মিনা ও আরাফায় তাঁবু নির্ধারণ এবং সার্ভিস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন কার্যক্রম ২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। তাঁবু বরাদ্দ প্রদান করার ক্ষেত্রে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে। তাই আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধন শেষ না হলে মিনা ও আরাফায় কাক্সিক্ষত জোনে তাঁবু বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। তাঁবু গ্রহণ ও সার্ভিস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনে দেরি হলে হজযাত্রীদের জামারাহ থেকে অনেক দূরে পাহাড়ি এলাকা কিংবা নিউ মিনা এলাকায় অবস্থান করতে হবে। ফলে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে দীর্ঘ পথ হাঁটতে হবে, যা কষ্টকর হবে। সে কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের অনুরোধ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। গতকাল সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হজ পালনের জন্য সরকারি পর্যায়ে ৮১২ এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৫৯১ জনসহ ১ হাজার ৪০৩ জন নিবন্ধন করেছেন। এখন পর্যন্ত প্রাক-নিবন্ধন করেছেন ৫৬ হাজার ৮৪৮ জন। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ের ২ হাজার ৮৫৩ এবং বেসরকারি পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৯৯৫ জন রয়েছেন।
এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, হজের প্রাথমিক নিবন্ধন ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় পরে আর বাড়ানো হবে না। তবে এখন নিবন্ধনের সময় কমিয়ে আনা হলো। প্রাক-নিবন্ধিত যেকোনো ব্যক্তি ৩ লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। হজ প্যাকেজ মূল্যের বাকি টাকা প্যাকেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
