ডিএনএ রিপোর্টের মাধ্যমে আড়াই মাস পর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত ব্যাটালিয়ন আনসারের এক সদস্যের। তার নাম নুরনবী (৪৭)।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে মরদেহটি বুঝে নেন স্ত্রী ফাতেমা-তুজ জোহরা ও ছেলে তাজনুর সিফাত। নুরনবীর স্ত্রী জানান, তাদের বাড়ি নোয়াখালী সদর উপজেলার পূর্ব অশ^দিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আবদুর রব। ঘটনার দিন তার স্বামী যাত্রাবাড়ী থানায় ডিউটিতে ছিলেন।
তিনি আরও জানান, নুরনবী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। গত ১৯ জুলাই তাকে গাজীপুর সফিপুরে স্থানান্তর করা হয়। ২ আগস্ট সেখান থেকে যাত্রাবাড়ী থানায় ডিউটি দেওয়া হয়। ৫ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার সঙ্গে শেষ কথা হয়। পরে কয়েকবার ঢামেক হাসপাতাল মর্গে এসে সেখানকার মরদেহ দেখেও শনাক্ত করতে পারেননি। পরে তার এবং ছেলের শরীর থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ডিএনএ নমুনার ফল মিলে যাওয়ায় গতকাল নুরনবীর মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
