শেরপুর সদর হাসপাতালে বিভিন্ন রোগের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের ইনজেকশন দেওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনরা জানান। গত রবিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, কী কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটল, তা এখন শনাক্ত করা যায়নি।
গতকাল সোমবার শেরপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কমপক্ষে ১২ রোগীকে শ^াসকষ্টের কারণে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। ইনজেকশন নেওয়া অন্য রোগীদের খিঁচুনি, পেটব্যথা, মাথাব্যথা, বমিসহ বেশ কিছু উপসর্গ ছিল।
হাসপাতালে কর্তব্যরত কয়েকজন নার্স জানান অ্যান্টিবায়োটিক গ্রুপের সেফটিয়াক্সজম ও প্যান্টিট নামে দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পর থেকেই রোগীরা অস্থিরতা, পেটব্যথা, খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকে। পরে কর্তব্যরত ডাক্তাররা এসে রোগীদের চিকিৎসা দিতে শুরু করেন। কমপক্ষে তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
রোগী স্বজনরা অভিযোগ করেন, কর্তব্যরত নার্স ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই অবস্থা খারাপ দেখে সটকে পড়েন। পেটের ব্যথা নিয়ে ভর্তি রহিমা বেগমের আত্মীয় রাসেল মিয়া বলেন, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই আমার রোগী খিঁচুনি, পেটব্যথা ও বমি করতে থাকে। নার্সদের বিষয়টি জানালে তারা আগে কোনো পাত্তা দেননি, পরে অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তার এসে রোগীকে ওষুধ দেন।
শেরপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হুমায়ূন আহমেদ নূর বলেন, ঘটনার পর অসুস্থ রোগীদের অক্সিজেনসহ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল এখনো আইডেন্টিফাই করা যায়নি। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে।
