দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদার জন্য ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম সবসময়ই বিশেষ কিছু। এই মাঠেই ২০১৫ সালে স্মরণীয় অভিষেক হয়েছিল তার। বাংলাদেশের বিপক্ষে যে ম্যাচে তিনি তাইজুল ইসলামের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে অভিষেক ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এবার টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটের অনন্য মাইলফলকটাও ছুঁলেন এই মাঠেই।
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের শেষে সংবাত সম্মেলনে রাবাদা তার সেদিনের স্মৃতি যেমন স্মরণ করেছেন, তেমনি আজকের অর্জন ও উইকেট নিয়েও কথা বলেছেন। কারণ মিরপুরে খেলা হলে, উইকেট নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক বিষয়।
পিচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম উইকেট টার্ন করবে, কিন্তু নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট ছিল। সুইং তেমন না হলেও, পিচ থেকে সিম মুভমেন্ট পাচ্ছিলাম, যা নেটে যেমন ছিল, মাঠেও তেমনটাই দেখলাম। স্পিনারদের জন্য টার্ন আর পেসারদের জন্য সিম, এটা বেশ অবাক করেছিল। উইকেট আমরা প্রস্তুত করি না, তবে যা তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েই খেলতে হয়েছে।’
দলের তরুণ পেসার উইয়ান মুলডারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে রাবাদা বলেন, ‘সে ক্যাম্প থেকে দারুণ বল করছে। কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং সেটা তার বোলিংয়ে দেখা যাচ্ছে। আজকের পুরস্কার পাওয়া অবাক করার কিছু না। সে অসাধারণ ছিল, এবং আমি তার জন্য খুব খুশি।’
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য কত রানের লিড প্রয়োজন এমন প্রশ্নে রাবাদা বলেন, ‘আমাদের লিড এখন ৩৪ রান। যদি আমরা ১০০ পর্যন্ত যেতে পারি, সেটা দুর্দান্ত হবে। আশা করি, আমরা সেটা করতে পারব।’
রাবাদা টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট-বলের মধ্যে ভারসাম্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার মতে, ‘টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট এবং বলের মধ্যে ন্যায্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা উচিত। প্রথম দিনেই ১৬ উইকেট পড়েছে, তাই এটি বোলারদের পক্ষে বেশি। তবে এমন উইকেট হওয়া উচিত যেখানে বোলাররা ভালো বল করলে ফল পাবেন, আর ব্যাটসম্যানরা প্রয়োগ করলে রান করতে পারবেন।’
৩০০ টেস্ট উইকেট পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে রাবাদা বলেন, ‘আজ সকালে যখন বল করতে এসেছিলাম, আমি সেই মাইলফলক নিয়ে চিন্তা করছিলাম না, বরং ম্যাচটি কিভাবে জিতব সেটাই ছিল মূল লক্ষ্য। তবে যখন উইকেটটি পেলাম, তখন বড় এক স্বস্তি পেলাম। সবাই মাইলফলকের জন্য খেলে, কিন্তু এটা এক স্বস্তির মুহূর্ত। সতীর্থদের সমর্থনও অসাধারণ ছিল, এবং এটা আমাকে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে।’
মিরপুরে হ্যাটট্রিক করে যাত্রা শুরু করা রাবাদা এবার টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়ে নিজেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বাফুফের ‘কমিশন বাণিজ্য’ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমাদের দেশে অনেকে ট্রল হতে হতে তারকা হয়ে গেছে: তাইজুল
বাফুফের নির্বাচন নিয়ে সন্দিহান ক্রীড়া উপদেষ্টা
সাকিব ভাইকে ছাড়াও আমরা খেলেছি-জিতেছি: তাইজুল
'নারী ফুটবলের জন্য আরমাকো একটি চরম অবজ্ঞা'