ভারত সফর থেকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে যে শনির দশা লেগেছে, ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও তা চলমান। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে অল-আউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ১০১ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়েছে। এখনো তারা পিছিয়ে ১০১ রানে। ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে অন্যদের মতো হতাশ হাসান মাহমুদও।
প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংসে ১৯ ওভার বল করে ২ মেডেনসহ ৩ উইকেট নিয়েছেন হাসান। দলের বোলিং ভালো হলেও ব্যাটিংটা যাচ্ছেতাই হচ্ছে। দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাসানকে প্রশ্ন করা হয়, এই ব্যাটিং দেখে বোলার হিসেবে তিনি কতটা হতাশ?
স্বল্পভাষী হাসান জানান, ‘অবশ্যই খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু মন থেকে বিশ্বাস করি আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব। টেস্টে জেতার জন্য আমাদের সবার আশা, একটা ভালো স্কোর করব।’
ঢাকা টেস্টের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিস্ময়কর কিছু না ঘটলে বাংলাদেশের পরাজয়টাই সম্ভাব্য ফলাফল। সেক্ষেত্রে তিন দিনে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যাকফুটে থেকেও হাল ছাড়তে নারাজ হাসান বললেন তাদের পরিকল্পনার কথা, ‘মুশফিক ভাই আর মাহমুদুল ভালো জুটি করেছে। কাল আমরা চেষ্টা করব যতটা সম্ভব লম্বা সময় ব্যাটিং করার। অন্তত দুইশতাধিক রানের টার্গেট দিলে ম্যাচটা জেতার চান্স আছে।’
২০২ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছে বাংলাদেশ। হাসানের ইচ্ছা পূরণ করতে হলে দ্বিতীয় ইনিংসে অন্তত ৪০০ রান করতে হবে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এটা কতটা কঠিন, সেটা হাসান মাহমুদও জানেন। তবে, স্বপ্ন দেখতে দোষ কী?
গ্যালারিতে কখনো ‘সাকিব’ সাকিব’, কখনো ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’