ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং ব্যালন ডি'অর বিতর্ক যেন থামছেই না। শেষ মুহূর্তে এসে ভিনিসিয়ুস কেন ব্যালন ডি'অর পেলেন না, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। রিয়াল মাদ্রিদ দাবি করেছে, ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন তাদের প্রতি এক ধরনের অসম্মান প্রদর্শন করেছে।
ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠান বয়কটের প্রসঙ্গে রিয়ালের পক্ষ থেকে এএফপিকে জানানো হয়, 'যদি নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ভিনিসিয়ুস বিজয়ী না হন, তবে কারবাহালের বিজয়ী হওয়ার কথা। যেহেতু এমন কিছু হয়নি, তা প্রমাণ করে ব্যালন ডি'অর কর্তৃপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদকে যথাযথ সম্মান দিচ্ছে না। আর যেখানে সম্মান নেই, সেখানে রিয়াল মাদ্রিদ থাকে না।'
রিয়াল মাদ্রিদের এমন অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছেন স্প্যানিশ সাংবাদিক আলফ্রেডো রেলানো। স্পেনের সাংবাদিক হয়েও ভিনিসিয়ুসের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন রেলানো। তবে রিয়াল ও ভিনিসিয়ুসের এই বয়কটের সিদ্ধান্তে খানিকটা ক্ষুব্ধ তিনি।
তার মতে, 'একজনকে অবশ্যই শিখতে হবে কীভাবে হারতে হয়।'
মাদ্রিদের বিপক্ষে কোনো ষড়যন্ত্র হয়েছে, এমনটা মনে করেন না রেলানো। এল দেসমার্ক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমরা একশ জন সাংবাদিক ছিলাম। এমন নয় যে তিনজনকে এক কক্ষে ডেকে সেফেরিন (উয়েফা প্রেসিডেন্ট) বললেন, আমরা মাদ্রিদকে বিরক্ত করতে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাকে কেউ ফোন করেনি বা কোনো নির্দেশনা দেয়নি। আমি নিশ্চিত, বাকি ৯৯ জনের সঙ্গেও এমন কিছু ঘটেনি। এগুলো শুধুই মাদ্রিদের কল্পনা।'
ভিনিসিয়ুসের ব্যালন ডি'অর না পাওয়ার কারণ হিসেবে রেলানো তুলে ধরেছেন ফেয়ার প্লে ইস্যুটি। তার মতে, 'ভিনিসিয়ুস অসাধারণ খেলোয়াড়, কিন্তু তার মাঝে বিতর্কে জড়ানোর প্রবণতা আছে। আমাদের ভোটের মানদণ্ড ছিল পারফরম্যান্স, অর্জন এবং দক্ষতা, যেখানে ভিনিসিয়ুস অবশ্যই এগিয়ে থাকবেন। এরপর ছিল দলীয় সাফল্য। রদ্রির ছিল প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরো শিরোপা, আর ভিনিসিয়ুসের ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং লা লিগা। শেষে ছিল সহজাত দক্ষতা এবং ফেয়ার প্লে, যেখানে ভিনিসিয়ুসের মাঝে ঘাটতি রয়েছে।'
এদিকে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোও রিয়ালের কড়া সমালোচনা করেছেন। তার মতে, রদ্রিই এই সম্মানের প্রকৃত দাবিদার। তিনি বলেন, 'রদ্রি বিশ্বসেরা ফুটবলার, এবং ব্যালন ডি'অরের প্রকৃত দাবিদার। ফুটবল সবার জন্য, শুধু রিয়াল মাদ্রিদের জন্য নয়। রিয়াল সবকিছুকেই নিজেদের সম্পত্তি মনে করে।'
অধিনায়ক আর সাকিবের ভবিষ্যতসহ যেসব সিদ্ধান্ত আজ নিতে পারে বিসিবি
রোনালদো 'দানব' কিন্তু মেসি সেই 'দানবের বাপ'