ফেনী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া মুন্সিবাড়ি রোডের প্রবাসী রাশেদুল হকের একমাত্র বসতভিটা দখল করে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল তুলে দিয়েছে স্থানীয় দিদারুল আলম।
এ ব্যাপারে রাশেদুলের হকের স্ত্রী জায়েদা খানম ফেনীর আদালতে মামলা ও থানায় অভিযোগ দিলেও বৈষম্যের শিকার হয়ে নিজ বাড়িতে যেতে পারছেন না। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।
জায়েদা খানম বলেন, আমার স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় গত ২০০৫ সাল থেকে আমরা বসবাস করে আসছিলাম, ২০১৭ সালে সন্তানের পড়ালেখার খাতিরে আমি ঢাকায় চলে যাই। এরপর বাসাটি চার হাজার টাকায় ভাড়া দিয়ে দিই। সাম্প্রতিক বন্যায় ঘরের ভেতর পানি ঢুকে যাওয়ায় ভাড়াটিয়া নিজ মালামাল নিয়ে অন্যত্র অবস্থান করেন। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর এই সুযোগে দখলদার স্থানীয় আকবর আলীর ছেলে দিদারুল আলম আমার বাসায় ঢোকার দরজাটি ইটবালির দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে দেয়। আমি ঢাকা থেকে এসে বাসায় গিয়ে জানতে চাইলে দিদার আমাকে পিটিয়ে আহত করে ও আমার শ্লীলতাহানি চেষ্টা করে।
এ ব্যাপারে আমি ফেনীর আদালতে একটি মামলা দায়ের করি, তা পিবিআইতে তদন্তাধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে আমি থানায় একটি অভিযোগ দিলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা এই ব্যাপারে বিবাদী পক্ষের সাথে আঁতাত করে আমার সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে। আমি বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানিয়েছি। আমার স্বামীর নামে ওই জায়গার কাগজপত্র, খতিয়ান সবই আছে এবং দীর্ঘ ২০ বছরের বিদ্যুৎ বিলের কপি, গ্যাস বিলের কপি, পৌরসভার পানির বিল ও হোল্ডিং নম্বর রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুযোগে দখলদারেরা স্থানীয় লোকদের সহযোগিতায় আমাকে ভিটে ছাড়া করার পরিকল্পনা করছে। আমার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। এই বসতভিটা হারিয়ে ফেললে আমার আর কিছুই থাকবে না। এমতাবস্থায় আমি প্রশাসনের সহযোগিতায় আমার বসতভিটা উদ্ধার করে চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ ব্যাপারে দিদারুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জায়গাটি রেহানা হকের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি এর বাইরে সাংবাদিকদের সাথে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।
আরও ২৯ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আফতাব হোসেন