অনেক শিশুরই লিভারে ফ্যাট জমে। আর এই সমস্যা শুরুতে বুঝতে না পারলে বিপদ। এর ফলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই ফ্যাটি লিভারে সমস্যা থেকে শিশুকে কীভাবে রক্ষা করবেন জেনে নিন।
অধিকাংশ শিশুই বাইরের খাবার অর্থাৎ ফাস্টফুডের দিকে বেশি ঝোঁক। পিৎজা, বার্গার, মোমো, বিরিয়ানি, রোল, কোল্ড ড্রিংকসের মতো খাবার খেতে পছন্দ করে। কেউ কেউ আছেন কোল্ড ড্রিংকস, চকোলেট এবং মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন। আর এসব খাবারের কারণেই বিপদ হতে পারে তাদের লিভারে। জমে যেতে পারে ফ্যাট। আর এই সমস্যার নামই হলো ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি আরও যা করবেন তাহলো
খেলতে দিন : আপনার শিশুকে সারাক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে না রেখে তাকে খেলতে দিন। বাড়ির সামনের মাঠে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলতে দিন। আপনি চাইলে তাকে ফুটবল বা ক্রিকেট কোচিং সেন্টারেও ভর্তি করে দিতে পারেন। সম্ভব হলে সাঁতার শিখতে দিতে পারেন। তাহলেই দেখবেন দ্রুত ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যাকে দ্রুতই কেটে যাবে।
ওজন কমান : শিশুর ওজন বেশি থাকলে ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে না। তাই ওজন কমানোর প্রস্তুতি নিন। সেক্ষেত্রে তাকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার পরামর্শ দিন। সে ব্যায়াম করতে না চাইলে সাঁতারে ভর্তি করে দিন। কিংবা তাকে সাইকেল চালাতেও বলতে পারেন। কিংবা প্রতিদিন ৩০ মিনিট ঘাম ঝরিয়ে হাঁটতে বলুন। এই কাজটা করলেই উপকার মিলবে। দ্রুত কমে যাবে তার ওজন।
যে খাবার খাবে না : শিশু রোজ রোজ বার্গার পিৎজা, ড্রিংকস খেতে চাইবে। কিন্তু ভুলেও তাকে এসব খাবার কিনে দেবেন না। এর পাশাপাশি চিপস, চকোলেটের থেকেও তাকে দূরে রাখতে হবে। মাসে এক-দুই দিন এসব খাবার খাওয়ার রুটিন করে দিন। খাবার এবং পানীয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই ওজন কমবে আপনা-আপনি।
চেকআপে রাখুন : শিশুর ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে মাঝে মাঝে চেকআপ জরুরি। মাসে অন্তত একবার চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি যদি ওষুধ বদলে দেন বা জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে বলেন, সেগুলো সন্তানকে মেনে চলতে বলুন। এমনকি তিনি কিছু টেস্ট দিলেও তা করে নিতে হবে। আশা করছি, এই নিয়মটা মেনে চললেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে আপনার শিশু।
