দুর্বল মালদ্বীপে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। সমর্থকরাও মাঠে গিয়েছিলেন আশা নিয়ে। কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছিল সবাইকে। প্রথম ম্যাচটা হেরে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারপর সমালোচনা ঝড় বইতে শুরু করে। গণমাধ্যমকর্মীরা কোচ হাভিয়ের কাবরেরার কৌশল নিয়েও সমালোচনা করেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ গোলে দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে হারায় বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলন কক্ষে কোচ কাবরেরা এলেন যুদ্ধংদেহী মনোভাব নিয়ে। এসেই তিনি খুঁজতে থাকেন এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিককে। কারণ প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের কাছে হারের পর ওই সাংবাদিক সমালোচনা করেছিলেন। জয়ের পর পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্যই তিনি এই সাংবাদিককে খুঁজছিলেন।
মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দান্ত ফুটবল খেলার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোচ বলেন, ‘আপনারা প্রথম ম্যাচে আমাদের ভালো ফুটবল দেখেননি? আমার মনে হয়, প্রথম ম্যাচে আমরা আরও ভালো খেলেছি। আজকের চেয়ে ওই ম্যাচে আমরা বেশি সুযোগ তৈরি করেছিলাম। আমাদের সেই একই মনোভাব, প্রাণশক্তি এবং মানসিকতা ছিল। কিন্তু আপনাদের শুধু এই দলটিকে সমালোচনা করতে হয়, যা পুরোপুরি অন্যায়।’
কাবরেরা আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রথম ম্যাচের মতোই খেলেছি। দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের মনোভাবের খুব বেশি পার্থক্য ছিল না। শুরুতে চাপের মধ্যে ছিলাম, তবে দ্বিতীয়ার্ধে ছেলেরা তাদের জাত চিনিয়েছে। এখানে যারা আছেন, তাদের অনেকেই প্রথম ম্যাচের পর বিশ্বাস করেননি যে আমরা জিততে পারব, কিন্তু আমরা সবাই জানতাম, আমরা জিতব।’
বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তিন বছর কাটানো কাবরেরা জানান, তার চুক্তি আগামী ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। এটি তার চুক্তির মেয়াদে শেষ ফিফা উইন্ডো ছিল। তাই মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জয় তার জন্য স্বস্তির। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা স্বস্তির। প্রথম ম্যাচেও আমরা জিততে পারতাম। দলের সবাই জিততে চেয়েছিল এবং জয়ের প্রয়োজন ছিল আমাদের।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে কাজ করতে পেরে আমি সন্তুষ্ট। বাফুফের সঙ্গে সম্পর্কেও আমি খুশি। এখন নতুন কমিটি এসেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের পট তিনে জায়গা করার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন কাবরেরা।
কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলতে চান রিশাদ
গম্ভীর বদমেজাজী, কোচ হওয়ার উপযুক্ত নয়: টিম পেইন