ছাত্র-জনতার গণঅভ্যত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে দেশত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান সবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই প্রতিবেশী দেশটিতে অবস্থান করছেন তিনি।
শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন শান্তিতে নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৯) ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গত রোববার তার এই সাক্ষাৎকারের প্রায় আধা ঘণ্টার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূসকে প্রশ্ন করা হয়, ‘শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার খবর শোনার পর তার অনুভূতি কেমন হয়েছিল। তিনি অবাক হয়েছিলেন কিনা?’
জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘সবাই অবাক হয়েছিল, কারণ সিদ্ধান্তটা হঠাৎ এসেছিল। শেখ হাসিনা খুব সুরক্ষিত এবং কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ছিল যে কেউ চিন্তাও করেনি উনি পালিয়ে যাবেন।‘
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থীরা আসছিলো, তাদের সাথে সাধারণ জনগণরাও যোগ দিয়েছিল। প্রচুর মানুষ ঢাকার দিকে তার (শেখ হাসিনা) বাসভবন (গণভবন) লক্ষ্য করে অগ্রসর হচ্ছিলো। আসলে এরকম বিষয় কেউ কখনো শোনেনি, এ পরিস্থিতির জন্য তারা প্রশিক্ষিত ছিল না। কেউ জানত না এরকম কিছু হবে। তবে সবার আশা ছিল কিছু হতে যাচ্ছে। কারণ পুরো দেশ তার বিরুদ্ধে ছিল।
এ পর্যায়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী ড.ইউনূসকে বলেন, ‘পুরো দেশ তার বিরুদ্ধে ছিল না। এখনো বিপুল পরিমাণ মানুষ তার পক্ষে আছে।‘
পরক্ষণেই ড. ইউনূস বলেন, অবশ্যই পুরো দেশ তার বিরুদ্ধে ছিল। আপনি কী নিশ্চিত এখনো বিপুল পরিমাণ মানুষ তার পক্ষে আছে?
তিনি বলেন, তাদের সংখ্যা খুবই কম কিন্তু কিন্তু তাদের অনেক ক্ষমতা ছিল। এভাবেই কিছু অল্প সংখ্যক ক্ষমতাবান মানুষকে নিয়ে তারা দেশ শাসন করেছে। আমি যখন বলছি পুরো দেশ তার বিরুদ্ধে ছিল। আমি বোঝাচ্ছি পুরো দেশই তার বিরুদ্ধে ছিল।
আ.লীগ নিয়ে ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্নে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র
এই ১১ উপায়ে আপনার বাড়ি রাখুন ডাকাত মুক্ত