সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা ও জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দুর্যোগ কবলিত মানুষ। বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে শহরের রাধানগরে প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন রাস্তায় এই মানববন্ধন ও দুর্যোগ কবলিত মানুষের সমবেত বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম ও মাল্টি এক্টর পার্টনারশীপ-ম্যাপ প্রতিবাদী এই কর্মসূচির আয়োজন করে। বেসরকারি সংগঠন অ্যাওসেড ও সিডিআরএফআই’র দায়িত্বশীলরায় এই আয়োজনে সংহতি জ্ঞাপন করেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ম্যাপ ও ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ভারত্বেশরী বিশ্বাস।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন এনজিও ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক নেতা মাধব দত্ত, ম্যাপ সাতক্ষীরা জেলার সদস্য সচিব ও প্রাণসায়ের ও পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, সাতক্ষীরা টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্য সচিব আমিনা বিলকিস ময়না, জলাবদ্ধ ভুক্তভোগী এলাকার নাগরিক নেতা ইমরান হোসেন সরদার, অ্যাওসেডের বাহালুল আলম, চায়না দাস, বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা মাহিদা মিজান, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, ভূমিহীন নেতা কওছার আলী, আব্দুস সামাদ, প্রভা এনজিও’র পরিচালক শাম্মি আকতার কুমকুম প্রমুখ।
অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বলেন, আজারবাইজানে রাজধানী বাকুতে বসেছে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন-কপের ২৯তম সংস্করণ এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য বিশ্ব শান্তি ও জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে অঙ্গীকার সুসংহত করা। এই আহ্বানের সাথে সংহতি রেখে এই পরিবেশবাদী, ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি সফল করা হয়। এখানে সকলে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার দাবি উচ্চারিত হয়।
পরিবেশকর্মী মাধব দত্ত বলেন, বাংলাদেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশসমূহের বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু তহবিলের অর্থের নায্য হিস্যা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি বিশ্বের প্রধান গ্রিণহাউস গ্যাস নির্গমনকারী শিল্পোন্নত দেশগুলিকে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫০ সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অ্যাওসেডর বাহালুল আলম বলেন, জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্বাস্থ্যের সিনিয়র সচিব আকমলকে সরিয়ে দিল সরকার
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৫ জনের, হাসপাতালে ১০৩৪