আকরাম-ওয়ালশকে মনে করাচ্ছেন কামিন্স-বুমরা

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৪, ১২:১৩ পিএম

রোহিত শর্মা সন্তানের জন্মের পর স্ত্রীকে সময় দেওয়ার জন্য এখনো অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছাননি। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বহুল আলোচিত বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির প্রথম টেস্টে ভারত খেলছে তাদের নিয়মিত অধিনায়ককে ছাড়াই। শুধু অধিনায়ক নয়, রোহিত ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের অন্যতম স্তম্ভ। পার্থ টেস্টে তার অনুপস্থিতি তাই ভারতের জন্য একটি বড় ধাক্কা। 

তবে কখনো কখনো কিছু অনুপস্থিতি নতুন সম্ভাবনার দুয়ারও খুলে দেয়। পার্থ টেস্টে রোহিতের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফাস্ট বোলার জাসপ্রিত বুমরা। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। দুটি দলকেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধান ফাস্ট বোলার, যা টেস্ট ক্রিকেটে এক বিরল ঘটনা। সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজে দুই ফাস্ট বোলার অধিনায়ক হিসেবে একসঙ্গে মাঠে নেমেছিলেন—ওয়াসিম আকরাম এবং কোর্টনি ওয়ালশ। 

অধিনায়কত্বের ক্ষেত্রে সাধারণত বোলারদের তুলনায় ব্যাটসম্যানদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ ফিল্ডিং সাজানো ও ম্যাচ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণে বোলারদের চেয়ে ব্যাটসম্যানরা তুলনামূলক স্বচ্ছন্দ। বোলার-অধিনায়ককে নিজের বোলিংয়ের চাপ সামলানোর পাশাপাশি দল পরিচালনার দায়িত্বও নিতে হয়, যা বিশেষত টেস্ট ক্রিকেটে বেশ কঠিন। 

কামিন্স এবং বুমরা দুজনেই বর্তমান সময়ের শীর্ষ ফাস্ট বোলার। আইসিসি টেস্ট বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে কামিন্স আছেন চারে এবং বুমরা তিনে। এ কারণেই এই ম্যাচটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। 

সংবাদ সম্মেলনে কামিন্স বলেন, ‘দুজন ফাস্ট বোলারকে অধিনায়ক হিসেবে দেখাটা দারুণ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাউদিকে অধিনায়ক হিসেবে পেয়েছিলাম। এটা খুব বিরল হলেও আমার কাছে দারুণ লেগেছে।’ 

ভারতের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বুমরাও ফাস্ট বোলারদের অধিনায়কত্ব নিয়ে ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘ফাস্ট বোলাররা কৌশলগতভাবে ভালো বোঝে। কামিন্স অসাধারণ করছে। কপিল দেবের মতো অতীতে অনেকেই সফল হয়েছেন। আশা করি, এটা নতুন এক ধারার শুরু হবে।’

এই বিরল ম্যাচটি কেবল দুই দলের জন্য নয়, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসেও একটি বিশেষ সংযোজন হতে যাচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত