অবসরপ্রাপ্ত সচিব এএমএম নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে আছেন চারজন। তারা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহমদ ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। নতুন এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার কমিশনারকে নিয়োগ দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের স্বাক্ষরে এ-সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন আইনে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন এ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার কমিশনার আগামী রবিবার দুপুর দেড়টায় প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে যে ১৩ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ৩১ জন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তাদের অধিকাংশই নাসির উদ্দীনের মতো অবসরপ্রাপ্ত আমলা। এবার নিয়ে টানা পঞ্চমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পেলেন সাবেক সচিব, যার শুরু হয়েছিল এটিএম শামসুল হুদার মাধ্যমে। শামসুল হুদার আগের কমিশনে একজন বিচারক থাকলেও তার আগে ছিলেন আমলা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নাসির উদ্দীন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করতে পারব না।
দাম কমেছে পেঁয়াজ-মুরগির, এখনও চড়া আলু-তেল
বিতর্কের মুখে সরলেন গেটজ, পাম বন্ডিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে বেছে নিলেন ট্রাম্প
একনজরে আজকের দেশ রূপান্তর (২২ নভেম্বর)