বগুড়ায় একদিনে পড়লো ২১ উইকেট!

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৪৫ পিএম

সুমন খান করেছেন হ্যাটট্রিক। তার বিধ্বংসী পেসের কাছে পাত্তাই পায়নি রাজশাহী বিভাগ। গুটিয়ে গিয়েছিল মাত্র ৪২ রানে। সেই রান তাড়া করতে নেমে একইদিনেই অলআউট হয়েছে ঢাকা বিভাগও। আসাদুজ্জামান পায়েল ও মোহর শেখের বোলিং তোপে তারা থেমেছে ১৮১ রানে। তারপর রাজশাহী ফের ব্যাট করতে নেমে ১৮ রান তুলতেই হারিয়েছে আরও ১ উইকেট। একদিনে বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম দেখল ২১ উইকেট।

জাতীয় লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের ম্যাচে প্রথম দিন শেষে ঢাকা বিভাগ এগিয়ে আছে ১২১ রানে। প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ১৮ রান করতে পেরেছিলেন মেহরব হোসেন। তবে ঢাকার হয়ে সুমন খান দেখান তাণ্ডব। তিনি ৭.৫ ওভার বল ঘুরিয়ে শিকার করেন ৭ উইকেট। ২ মেইডেনের সঙ্গে খরচ করেছেন মাত্র ১৮ রান। ঢাকার হয়ে জিশান আলম ৪৪ ও রনি তালুকদার ৪০ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে পায়েল ৪টি ও মোহর ৩ উইকেট শিকার করেন।

বগুড়ায় যখন ২১ উইকেটে মেতে উঠেছিলেন বোলাররা, সেখানে কক্সবাজার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সারাদিনের বোলাররা নিতে পেরেছেন মাত্র ২ উইকেট। রংপুরের বিপক্ষে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৭৬ রান করেছে ঢাকা মেট্রো। দলটির অধিনায়ক নাঈম শেখ অপরাজিত আছেন ১৫৩ রানে। এছাড়া তাহজিবুল ইসলাম আউট হয়েছেন ৭৩ রান করে। রংপুরের হয়ে উইকেট দুটি পেয়েছেন নজরুল ইসলাম মুন্না ও আরিফুল হক।

এদিকে বগুড়ার মতোই অবস্থা না হলেও সারাদিনে খুলনাকে গুটিয়ে দিতে পেরেছে চট্টগ্রাম। ২০৪ রান করেই থেমেছেন এনামুল হক বিজয়রা। খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন অমিত মজুমদার। চট্টগ্রামের হয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন নাঈম হাসান। দিন শেষে চট্টগ্রাম কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩১ রান সংগ্রহ করেছে।

তবে ব্যাটসম্যান আর বোলারদের দারুণ সমন্বয়ের পারফরম্যান্স দেখেছে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। সকালে টস জিতে তিনি সিলেটের অধিনায়ক অমিত হাসান নামলেন ফিল্ডিংয়ে সারাদিনে বোলাররা নিয়েছেন ৭ উইকেট। আর বরিশাল করেছে ২৫৮ রান। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে আউট হয়েছেন আব্দুল মজিদ। এছাড়া সোহাগ গাজী করেছেন ৪৩ রান। সিলেটের হয়ে রেজাউর রহমান রাজা সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া এবাদত হোসেন, তোফায়েল আহমেদ, নাসুম আহমেদ ও রাহাতুল ফেরদৌস নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত