তারকা খেলোয়াড় ও ম্যাচ জেতানো পারফর্মারদের দলে ভেড়াতে প্রতি আসরের আগে জমজমাট হয়ে ওঠে আইপিএলের খেলোয়াড় নিলাম। ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আইপিএলের জনপ্রিয়তা কেবল ম্যাচের উত্তেজনায় নয়, দলে ভারসাম্য আনতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বিশাল ব্যয়ের সুযোগের কারণেও বেড়েছে।
২০০৮ সালে শুরু হওয়া আইপিএলের প্রথম আসরে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে খেলোয়াড় কিনতে খরচ করেছিল ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এর পরের দুই বছর দলগুলো তুলনামূলক কম ব্যয় করে—২০০৯ সালে ৭৬ লাখ ৫০ হাজার ও ২০১০ সালে মাত্র ৩৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
২০১১ সালে নিলামে বড় পরিবর্তন আসে। নতুনভাবে দল গড়ার কারণে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৬ কোটি ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। তবে ২০১২ ও ২০১৩ সালে ব্যয় আবার কমে, যথাক্রমে ১ কোটি ৯ লাখ ৯৫ হাজার ও ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার।
২০১৪ থেকে নিলাম হয় ভারতীয় রুপিতে। ওই বছর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মোট ব্যয় ছিল ২৬২ কোটি ৬০ লাখ রুপি। পরবর্তী তিন বছর তুলনামূলক কম ব্যয়ে (৮৭ থেকে ১৩৬ কোটি রুপি) কাজ চালায় দলগুলো।
২০১৮ সালে আবারও ব্যয়ের রেকর্ড হয়। মেগা নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো খরচ করে ৪৩১ কোটি রুপি। তবে তার পরের তিন বছরে খরচের পরিমাণ ছিল কম: ২০১৯ সালে ১০৬ কোটি ৮০ লাখ, ২০২০ সালে ১৪০ কোটি ৩০ লাখ, এবং ২০২১ সালে ১৪৫ কোটি ৩০ লাখ রুপি।
২০২২ সালের মেগা নিলামে সব ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে ৫৫১ কোটি ৭০ লাখ রুপি ব্যয় করে, যা এখন পর্যন্ত আইপিএলের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নিলাম। পরের বছর, ২০২৩ সালে, ব্যয় ছিল ১৬৭ কোটি রুপি।
এবারের ২০২৪ মেগা নিলামে সবচেয়ে বেশি বাজেট নিয়ে অংশ নিচ্ছে পাঞ্জাব কিংস (১১০ কোটি ৫০ লাখ রুপি)। সবচেয়ে কম বাজেট নিয়ে আসছে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালস (৪১ কোটি রুপি)। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নিলামে সব রেকর্ড ছাপিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এবারের আইপিএল নিলাম আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে। খেলোয়াড় কেনার প্রতিযোগিতায় কে এগিয়ে যায়, তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেটবিশ্ব।
বুমরার বোলিং অ্যাকশন কি অবৈধ?
রাফিনিয়া-ইয়ামালের সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ, গ্রেপ্তার ৩
এক বছরে দেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি এখন হাসান