ইউরোপ আর নিরাপদ নয় নেতানিয়াহুর জন্য!

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৩২ এএম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আইসিসির এই আদেশ আমলে নিয়ে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র। এই সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলোÑ নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, সুইডেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যও নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের মাটিতে পা রাখলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবে দেশটির সরকার। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র এই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

গত মে মাসে নেতানিয়াহু, ইয়োভ গ্যালান্ত ও গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ, হামাসের তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং গাজার হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন আইসিসির কৌঁসুলি করিম খান। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার নেতানিয়াহু, গ্যালান্ত ও মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালত। হানিয়া এবং সিনওয়ার ইতিমধ্যে নিহত হওয়ায় তাদের এ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আইসিসির এই পরোয়ানা জারির পর কয়েকটি রাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আদালতের পরোয়ানা মেনে নিয়ে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রস্তুত।

অবশ্য ব্রিটিশ সরকার তাকে গ্রেপ্তারের কথা সরাসরি না বলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে তিনি বলেন, সরকার আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করবে।

বিবিসি জানায়, আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আছে যুক্তরাজ্য। চুক্তি অনুযায়ী দেশটির এ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র নিশ্চিত করে বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আইনে যেসব বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেগুলো সব সময়ই মেনে চলে যুক্তরাজ্য সরকার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত