বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় ফেনীতে এক মামলায় আসামি করা হয়েছে দুই সাংবাদিককে। তারা হলেন—দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি আবুল হোসেন রিপন ও সাপ্তাহিক ফেনীর ডাক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হায়দার।
গত ১৮ নভেম্বর সেনবাগ উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সিএনজিচালক আবদু রব বাদী হয়ে ১৪২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল হোসেন রিপনকে ৫২ নং ও জিয়াউর রহমান হায়দারকে ২০নং আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দেশ রূপান্তরের ফেনী প্রতিনিধির সাথে কথা হয় মামলার বাদী আবদু রবের। তিনি বলেন, আমার উপর হামলাকারী ৮-১০ জনকে চিনতে পারব। বাকিদের চেনন না।
বাকিদের কেন মামলায় আসামি করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনজন বিএনপি-জামায়াতের নেতা আমাকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে কয়েকটি স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। পরে ওই পেপারগুলো ফেনী মডেল থানায় জমা দিয়েছি। কোনো নিরপরাধ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটা আমি ওসিকে বলেছি।
মামলায় কতজন আসামি বা প্রধান আসামি করা হয়েছে তা কিছুই বলতে পারেনি বাদী আবদুর রব। এ সময় ৫২ নম্বর আসামি আবুল হোসেন রিপনকে তার সামনে নিয়ে এসে, চিনেন কিনা জানতে চাইলে তিনি না সূচক জবাব দিয়ে বলেন, কখনো দেখেননি উনাকে।
আবুল হোসেন রিপন বলেন, আমি সোনাগাজী উপজেলা থেকে গত দুই দশক সাংবাদিকতা করি। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিপক্ষ থাকতে পারে। তারা হয়তো আমাকে জড়িয়েছে। আমি কোনো দল বা পদ-পদবিতে নেই।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরা জানান, বাদীর এজাহার পেয়ে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। দুজন সাংবাদিক কিভাবে আসামি হলো সেটাও জানা নেই। এজাহারে তাদের পেশাগত পরিচয় ছিল না। আশাকরি তদন্তে বিষয়টি জানা যাবে।
ফেনীর পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় মামলায় নিরপরাধদের যাতে হয়রানি না করা হয় সে জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। কোন নিরপরাধ যেন হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সর্বোচ্চ খেয়াল রাখছি। নিরপরাধ হলে তদন্ত প্রতিবেদন থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হবে।
বিমানের ৫ কর্মকর্তা কারাগারে, ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বুবলীকে ‘টয়লেট ডে’র শুভেচ্ছা জানালেন অপু বিশ্বাস
১৩ বছরে মশা নিধনে খরচ ১৩০০ কোটি, তবুও ব্যর্থ