চট্টগ্রামের ঘটনায় পদক্ষেপ জানতে চায় হাইকোর্ট

আজ জানাবে রাষ্ট্রপক্ষ

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:১৫ এএম

চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন শুনানি কেন্দ্র করে তার অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশে এ আদেশ দেয় বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্য শুনে আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাবে বলে হাইকোর্টকে অবহিত করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। প্রতিবেদন উপস্থাপন করে হাইকোর্টের কাছে স্বতঃপ্রণোদিত আদেশ ও রুলের আরজি জানান আইনজীবী মো. মনির উদ্দিন। তিনি ইসকন নিষিদ্ধ করা এবং জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও রংপুরে তিনটি স্থানে আপাতত ১৪৪ ধারা জারির আরজি জানিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তার (অ্যাডভোকেট মনির উদ্দিন) প্রার্থনার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ইসকনকে যেন নিষিদ্ধ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যাতে নির্দেশ দেওয়া হয়, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ ঘটনা তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হয়। অন্তত দুই সপ্তাহ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।

এ পরিস্থিতিতে তিনি (অ্যাটর্নি জেনারেল) আদালতের সামনে বলেন, ইসকনের ইস্যুটা দুর্ভাগ্যজনক। যে আইনজীবী এটা তুলেছেন, তার হৃদয়ে যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, এই রক্তক্ষরণ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের হৃদয়ের। এটা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। এ ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ। সরকার গুরুত্বসহকারে এ ঘটনাকে দেখছে, যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘এই সংগঠন (ইসকন) নিবন্ধিত কি না, এই সংগঠন নিষিদ্ধ হবে কি না, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবেÑ এগুলো সরকারের পলিসি ডিসিশনের বিষয় (নীতিগত সিদ্ধান্ত)। সরকার এটার খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ আইনিভাবে দেখবে। এটা সাংবিধানিক আইনের সঙ্গে কতটুকু যাবে, তা আমাদের বিবেচনা করতে হবে। সরকার কীভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করছে, সব পর্যালোচনা করে তারপর যদি হয়, তখন দেখা যেতে পারে। এ বিষয়ে কতটুকু অগ্রগতি আছে, তা কাল (আজ) সকালে জানাতে হবে। আমি জানাব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত