আবুধাবিতে ডেকান গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে আজকের টি-টেন ম্যাচে সাকিব আল হাসান যা করলেন, তা টেস্ট ক্রিকেটের প্রেক্ষাপটে আলোচনার জন্ম দিতে পারে। দশ ওভারের খেলায় সাকিবের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। ২২ বল খেলে তিনি অপরাজিত ১৫ রান সংগ্রহ করেন। এই রান কোনো চার-ছক্কা ছাড়াই, শুধু ২টি ডাবল আর ১১টি সিঙ্গেল নিয়ে এসেছে। ইনিংসের ৯টি বলই ছিল ডট!
যতটা সম্ভব শান্ত থাকার চেষ্টা করেও সাকিবের এই ব্যাটিং ছিল চোখের জন্য পীড়াদায়ক। প্রথম ১০ বলেই তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৬ রান, সবই সিঙ্গেলে। এরপর ৮ম ওভারে নো বলের সুযোগে প্রথম ডাবলসটি পান, যার পরও তার রান ছিল ১৩ বল খেলে ৭। শেষ দুই ওভারে হয়তো কিছুটা হাত খুলবেন, এমন আশায় ছিল সবাই, কিন্তু তা হয়নি। ৫ বল খেলে তিনটি সিঙ্গেল আর একটি লেগ বাই নিয়েই তাঁর ইনিংস শেষ হয়।
বাংলা টাইগার্সের অধিনায়ক সাকিব যখন ক্রিজে নামেন, তখন তাদের স্কোর ছিল মাত্র ২৩ রানে ৪ উইকেট পড়ে গেছে। সাকিবের নামার পর তিনি ইফতিখার আহমেদের সঙ্গে ২৭ রানের একটি ছোট জুটি গড়েন। তবে দলের জন্য তাঁর ব্যাটিং ছিল উদ্বেগজনক।
বাংলা টাইগার্সের ইনিংস শেষে ১০ ওভারে তারা মাত্র ৭২ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিল। ডেকান গ্ল্যাডিয়েটর্সের সামনে এই রান খুব সহজেই টপকানো হয়, তারা মাত্র ৫.১ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
এটি ছিল সাকিবের জন্য এক কঠিন দিন। তার ব্যাটিংয়ে কোনো আক্রমণাত্মক শট না থাকার কারণে পুরো দলই আজ বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়েছিল। এমন ব্যাটিংয়ের পর প্রশ্ন উঠতে পারে, সাকিব কি এখনও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য উপযুক্ত ব্যাটসম্যান?
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফরম্যাট বিভ্রান্তিকর, দাবি স্টোকসের
ইয়ানসেনের তোপে শ্রীলংকার ৪২ রানের লজ্জা