জাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য-নাতি-নাতনি কোটা বাতিলের দাবি

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৫১ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্যকোটা সংস্কার, ভিসি কোটা এবং মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি কোটা বাতিলের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন একদল শিক্ষার্থী।

আজ রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কাউসার আলম আরমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়াউদ্দিন আয়ান। আয়ান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্থারের অন্যতম কাজ হওয়া উচিত দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় এ রকম বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির সংস্কার করা।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী প্রায় ৭০ শতাংশ নম্বর পেয়েও এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় না। কিন্তু একজন কোটাধারী ৩০ শতাংশ নম্বর পেয়েও এখানে ভর্তির সুযোগ পায়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলে দিতে চাই, আসন্ন ভর্তি পরীক্ষার আগেই এই বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি সংস্কার করতে হবে আর না হয় আপনারা আপনাদের গদিতে টিকে থাকতে পারবেন না। আমরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি সংস্কার না করলে আপনাদেরও হটাতে বাধ্য হব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জুবায়ের শাবাব বলেন, একজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বর পেয়ে ভর্তির সুযোগ পায় না, অন্যদিকে মাত্র ২৬ নম্বর পেয়ে পোষ্যকোটাধারীরা ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। এই বৈষম্য জাহাঙ্গীরনগরে চলবে না। যদি পোষ্যকোটা রাখতে হয় তবে সেটা যৌক্তিক সংস্কার করে রাখতে হবে। আমরা দেখেছি এই পোষ্যকোটায় যারা ভর্তি হয় তাদের অনেকেই ক্যাম্পাসে কি ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায়। তারা জাহাঙ্গীরনগরের পরিবেশে বেড়ে ওঠে, ক্যাম্পাসের সকল বিষয়ে তাদের আগে থেকে ধারণা থাকে এবং শিক্ষার্থী হয়ে সেই বিষয়গুলো তারা কাজে লাগায়। তারা মাদক সিন্ডিকেট, চাদাবাজি সিন্ডিকেটসহ সবধরনের সিন্ডিকেট, অপকর্মে তাদের হাত থাকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত