বাংলাদেশকে ভারত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে মন্তব্য করে হেফাজতে ইসলামের নেতারা সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা বিকল্প বন্ধু রাষ্ট্র খুঁজুন’। বিগত ১৭ বছর ধরে চলে আসা ফ্যাসিবাদ ও চলমান অস্থিরতার পেছনে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পাশাপাশি হিন্দুস্থানকেও দায়ী করেন হেফাজত নেতৃবৃন্দ।
ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশ সম্পর্কে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের আগে নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মাঠে গণজমায়েতে তারা একথা বলেন।
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুণ ইজহার গণজমায়েতে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্র মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ভারতীয় আধিপত্যের জাল ছিন্ন করেছে। বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করব আপনারা বিকল্প বন্ধু রাষ্ট্র খুঁজুন। আমরা পাকিস্তানের কথা বলছি না। পাকিস্তানের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং দক্ষিণ এশিয়ায় চীন রয়েছে। আরও অন্য দেশ রয়েছে। সেসব দেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করুন।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর চলা ফ্যাসিবাদ ও বিগত তিনমাস চলমান অস্থিরতার পেছনে শুধু হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নয় হিন্দুস্তানও দায়ী। তারা শেখ হাসিনাকে আমাদের মাথার ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। এদেশের প্রত্যেকটি গুম খুনের পেছনে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতা রয়েছে। আমরা ভারতের সাথে ভারসাম্য চাই। আমরা ভারতের সাথে যুদ্ধ চাই না। কিন্তু ভারত যদি যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে চায় তাহলে সেটা প্রতিহত করার শক্তি আমাদের আছে।
গণজমায়েতে বক্তারা আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং এজাহারের আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
জমায়েত শেষে হেফাজত নেতাকর্মীরা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও রাজনীতিবিদদের ‘বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার’-এর প্রতিবাদে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মীর ইদরীস, মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, সহকারী মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ আজাদী, মাওলানা জাফর আহমদ ভাটুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে এসে ইসলাম গ্রহণ করে অন্তরাকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক 