গাজীপুরের শ্রীপুরে আ.লীগের এক নেতার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে পাশের আরও এক শিক্ষকের বাড়িতেও দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। এ সময় ডাকাতরা বাড়ির লোকজনকে বেঁধে নগদ অর্থসহ স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা বেশ কিছু দামি আসবাপত্র লুট করে। পাশাপাশি দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাঁশবাড়ি গ্রামে এ দুটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পুলিশ বলছে, এটি ডাকাতির কোনো ঘটনা না। স্থানীয় রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে এমনটি হয়েছে। তবুও পুলিশ এ নিয়ে কাজ করছে।
ডাকাতির শিকার হওয়া বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদীন গাজীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। অপর বাড়ির মালিক আবদুল হালিম মিয়া। তিনি পাশের বাঁশবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ডাকাতদল দুটি বাড়ি থেকেই নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে।
ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীন জানান, একতলা বিল্ডিং বাড়িটিতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন। শেষ রাতের দিকে বাড়ির প্রধান দরজায় অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। পরে এমন শব্দে ঘুম ভাঙলে জেগে উঠে দরজায় ওই পাশের অপরিচিত লোকজনের দেখে পরিচয় জানতে চাইলে তারা অস্ত্র দেখায়। এরপর সজোড়ে আঘাত করে দরজা ভাঙতে শুরু হয়। পরে নিরুপায় হয়ে ঘরের দরজা খুলে দিলে একদল লোক ঘরের ভেতরে লুটপাট চালায়। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রে জজ্জিত ছিল। তাদের সবার মুখ ডাকা ছিল বলে কাউতে চেনা যায়নি।
ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক আবদুল হালিম জানান, ডাকাতদল ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে ঢুকেই অস্ত্রে মুখে সবাইকে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে লুটপাট চালায়। এ সময় ঘরের স্বর্ণালংকার,নগদ টাকা ও মোবাইলসহ আসবাপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদের হাতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র ছিল। কালো কাপড়ে ডাকাতদের মুখ বাঁধা ছিল।
এলাকাবাসী জানায়, পাশাপাশি দুটি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ডাকাতির খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে এসে ঘরের দরজা ভাঙা আর আসবাপত্র ভাঙা দেখতে পান। এ সময় নানা জিনিসপত্র এলোমেলোভাবে ছড়ানো ছিঁটানো ছিল। এ বিষয়ে থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। খবর পেয়ে পলিশ আসে।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল প্রথম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরে জানতে পেরেছি এ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক কারণ আছে। এটি ডাকাতির কোনো ঘটনা নয়। আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেব।
বছর না পেরোতেই কোটি টাকার সড়কে ধস
পুলিশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে স্থায়ী কমিশন চায় জনগণ
খালেদা জিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ 