বাজারে অস্বাভাবিকভাবে আলুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে বিরামপুর উপজেলার কৃষকরা এবার লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলুর আবাদ করেছেন। নতুন আলু বাজারে এলে দাম কমার আশা থাকলেও চড়া মূল্যের কারণে ক্রেতাদের স্বস্তি মিলছে না। ক্রেতারা আলুর বিকল্প সবজি হিসেবে পেপে, মুলা, ফুলকফি ও পাতা কফি বেশী কিনছেন। ভাল দাম পাওয়ায় আলু চাষীরা খুশি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কমল কৃষ্ণ রায় নিশ্চিত করেছেন, এবার উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশি জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আগাম রোপনকৃত আলু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আরো বেশি আলু বাজারে উঠলে দাম কমতে পারে।
অতি প্রয়োজনীয় এই সবজির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিক লাভের আশায় এবার উপজেলার কৃষকরা সর্বোচ্চ পরিমাণ জমিতে আলু আবাদ করেছেন। অনেকে আগে অন্য ফসল আবাদ করলেও এবার নতুনভাবে আলু চাষ করেছেন। উপজেলার বাদমুখা গ্রামের জুলফিকার তার জমিতে আগে আলুর চাষ কম করলেও এবার পুরো জমিতে আলু রোপন করেছেন।
পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ভগবতীপুর গ্রামে আতাউর জানান, আলুর ফলন ভাল হয়েছে এবং বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় চাষীরা খুশি।
কৃষি বিভাগ উপজেলার পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে এবার ১ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে কৃষক, এলাকাবাসী ও কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে চলতি মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশি জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে।
আগাম রোপনকৃত নতুন আলু বাজারে উঠলেও তার দাম চড়া। ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) বাজার ঘুরে দেখা গেছে পুরাতন আলু ৬০/৭০ টাকা কেজি দরে এবং নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আবাদের প্রেক্ষিতে এবং ফলন ভাল হওয়ায় আলুর দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছে না ক্রেতারা।
খুচরা কাচামাল দোকানি মানিক হোসেন বলেন, আলুর দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতা আলু কম কিনছেন। ক্রেতারা আলুর বিকল্প সবজি হিসেবে পেপে, মুলা, ফুলকফি ও পাতা কফি বেশী কিনছেন। আলুর দাম কমার আশা থাকলেও ক্রেতাদের সে প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।
মূল্যস্ফীতি শিগগিরই কমে আসবে, আশা প্রধান উপদেষ্টার
‘ভারত ছিল বিজয়ের মিত্র’ মোদিকে আসিফ নজরুল