সাড়া ফেলেছে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:১৯ এএম

বগুড়ায় খাদ্যে ভেজাল শনাক্তে সাড়া ফেলেছে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার। মাত্র ২০-৩০ মিনিটের মধ্যে শনাক্ত হচ্ছে খাদ্যে ভেজাল। এখানে ঘি, দুধ, মসলা, তেল, বিস্কুট, কেক, পাউরুটিসহ বিভিন্ন খাদ্যে ভেজাল শনাক্ত করা যায় খুব দ্রুত। ভোক্তাদের খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রতিটি বিভাগের জন্য রয়েছে একটি করে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার। রাজশাহী বিভাগের এই পরীক্ষাগার প্রতি মাসে শিডিউল অনুযায়ী বগুড়ায় আসছে ভেজাল শনাক্ত করতে। সম্প্রতি বিভিন্ন খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক পরীক্ষায় ভেজালের প্রমাণও মিলেছে। এরই মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানকে সতর্কসহ জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি বিভিন্ন খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা করে বগুড়ার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে সতর্কসহ জরিমানাও করা হয়েছে। এতে টনক নড়েছে অসাধু ব্যবসায়ীদের। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষর এমন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয়রা। এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে নিরাপদ খাবার পাবেন বগুড়াবাসী এমন প্রত্যাশা ব্যবসায়ীসহ সচেতন মহলের।

ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার শহরের রাজাবাজার এলাকায় সম্প্রতি ‘নিউ গন্ধেশ্বরী ঘি’ নামক প্রতিষ্ঠানের ঘিতে ডালডা মেশানোর প্রমাণ পেয়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মসলা, ঘি, পাউরুটিতে ভেজাল পাওয়ায় প্রথমবার সতর্কসহ সংশোধন হওয়ার আহ্বান জানায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

বগুড়ার নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা রাসেল জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বগুড়া জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অভিযান অব্যাহত রাখবে। নিয়মিত ল্যাব পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীসহ ভোক্তারাও সচেতন হবে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত