মঞ্চটা সাজানোই ছিল। দরকার ছিল শুধু শেষ ম্যাচ জেতা। কিন্তু সেটা পারেনি সিলেট। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিং ঝড়ের পর রাজশাহীর কাছে হেরে গেছে তারা। ছিটকে গেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি থেকে। কোয়ালিফায়ারে উন্নতির সুযোগ ছিল বরিশালের সামনেও। কিন্তু তারাও পারেনি। হেরে গেছে ঢাকার কাছে। মজার বিষয় হলো জয়ী দল আর হেরে যাওয়া দল চারটিই ছিটকে গেছে টুর্নামেন্ট থেকে।
তবে সুযোগ কাজে লাগিয়েছে খুলনা। আর হেরেও শেষ চার নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম। প্লে অফের বাকি দুটি দল হলো ঢাকা মেট্রো ও রংপুর।
সকালে সিলেট একাডেমি মাঠে চট্টগ্রাম বিভাগ ১৭ রানে হারে ঢাকা মেট্রোর কাছে, ফলে তারা আটকে থাকে ৬ পয়েন্টেই। বিকেলে বরিশালকে ১৯ রানে হারায় ঢাকা, পয়েন্ট সমান হলেও চট্টগ্রামের রান রেট (০.২২০) ঢাকার (-০.৫৫২) চেয়ে ভালো থাকায় তারা এগিয়ে থাকে।
রংপুর ৫ জয় নিয়ে আগেই নিশ্চিত করে রেখেছিল কোয়ালিফায়ার। খুলনার সঙ্গে তাদের শেষ ম্যাচটা ছিল শুধু নিয়মরক্ষার। তবে খুলনার কাছে ম্যাচটা ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। সেই লড়াই তারা জিতে নিয়েছে। রংপুরকে ৩৪ রানে হারিয়ে তারা পয়েন্ট তালিকার ৪ নম্বর অর্জন করে এলিমিনেটর ম্যাচে স্থান করে নেয়। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার দিনে খুলনায় তারুণ্য আর অভিজ্ঞের দাপট দেখেছে। যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জয়ী দলের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম খেলেছেন ৪১ বলে ৬৬ রানের ইনিংস। ৭ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংসটি। পরে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন চার ছক্কা ও পাঁচ চারে ৪৯ বলে ৭১ রান করা মোহাম্মদ মিঠুন। আর শেষবেলায় ইমরুল কায়েসের চার চার ও দুই ছক্কায় ১৯ বলে ৪০ রানের ক্যামিওতে খুলনা পায় ১৯৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ।
১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে রংপুর থেমে যায় ১৬১ রানে। ১৪ ওভার ১২৪ রান করা রংপুর রান তাড়ায় কক্ষপথেই ছিল। ১৫তম ওভারে অধিনায়ক আকবর আলী ২৯ বলে ৫ ছক্কা ও ২ চারে ৫২ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে ম্যাচটি কার্যত সেখানেই শেষ হয়ে যায়। ম্যাচ হারলেও প্লে অফ তাদের আগেই নিশ্চিত ছিল। জিতে খুলনা কক্ষপথে ফিরেছে।
শেষ চারে কে কার মুখোমুখি:
২১ ডিসেম্বর
এলিমেনটর: খুলনা বনাম চট্টগ্রাম, সকাল ৯-৩০,
প্রথম কোয়ালিফায়ার: ঢাকা মহানগর বনাম রংপুর, দুপুর ১-৩০
