মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৩৭ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করেছেন। বড়দিনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষাপটে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। ধারণা করা হচ্ছে, দায়িত্ব শেষ হওয়ার এক মাস বাকি থাকতে মৃত্যুদণ্ড বিরোধীদের ক্রমবর্ধমান চাপে বাইডেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে আসামিরা প্যারোল ছাড়া জীবনের বাকি সময় কারাগারে কাটাবেন।
এখন কেবল কয়েকজন হাই প্রোফাইল অপরাধীর ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড বহাল রয়েছে। বাইডেনের প্রশাসনের অধীনে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এসব ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।
এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, মৃত্যুদণ্ডের ওপর আমার প্রশাসন যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা সন্ত্রাসবাদ ও ঘৃণাজনিত গণহত্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এই নীতির সঙ্গেই ৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমানো হয়েছে।
বাইডেন বলেন, আমি এই হত্যাকারীদের নিন্দা জানাই, তাদের কারণে ভুক্তভোগীদের জন্য শোক প্রকাশ করি। তবে আমার বিবেক ও অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ফেডারেল পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার বন্ধ হওয়া উচিত।
বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী থাকাকালে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করেছিলেন এবং দায়িত্ব নেওয়ার পর বিচার বিভাগ ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনর্নির্বাচনের প্রচারণায় মৃত্যুদণ্ড বাড়ানোর পক্ষে কথা বলেছেন।
২০০৩ সালের পর থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি। তবে ট্রাম্পের আমলে ২০২০ সালের জুলাইয়ে এই প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়। তার শাসনামলের শেষ ছয় মাসে ১৩টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, যা ১২০ বছরের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে সর্বোচ্চ।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রাজ্য পর্যায়ে ২৫টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
মুক্তিযোদ্ধার প্রতি অসম্মান স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করার শামিল: নাগরিক ঐক্য
বন্ধুর প্রেমিকার সঙ্গে লুকিয়ে চ্যাটিং, মদে বিষ মিশিয়ে প্রতিশোধ