বগুড়ার শিবগঞ্জের মহাস্থান হাটে প্রতি মণ ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি কেজি ফুলকপির পাইকারি মূল্য মাত্র ৪ টাকা। শনিবার সকালে এই চিত্র চোখে পড়েছে উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সবজি মোকাম মহাস্থান হাটে।
তবে গত বুধবার ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ২ টাকা কেজি দরে। সেদিনের ন্যায় শনিবারও অনেকেই হাটে কপি বিক্রি না করেই ফিরে নিয়ে গেছেন। হঠাৎই শীতকালীন সবজি ফুলকপির দামে পতন হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন চাষীরা। কোনও কারণ ছাড়াই ফুলকপির দাম কমায় ব্যবসায়ীরা বলছেন সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা কম থাকায় এই অবস্থা।
অপরদিকে বাধাকপি শনিবার বিক্রি হয়েছে পাইকারি ৫ টাকা করে ৫শ’ টাকা শ’ দরে। হাটে ফুলকপি ও বাধাকপি বিক্রি করে পরিবহন খরচ উঠছে না বলেও দাবি করেছেন চাষীরা।
এ প্রসঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল হান্নান জানান, এই উপজেলায় এবার কপির চাষ বেশি হয়েছে। ফলে বাজারে কপির সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা কম। আর ক্রেতা কম থাকায় বাজারে সবজিটির দাম পড়ে গেছে।
স্ত্রী বাড়ি নেই, আপত্তিকর অবস্থায় আটক ২ কৃষি কর্মকর্তা
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনের প্রতিবাদ