বিদায়ী বছরের শেষ মাস, অর্থাৎ ডিসেম্বরে দেশে মূল্যস্ফীতি কমেছে। এছাড়া মানুষকে সবচেয়ে বেশি চাপে রাখা খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে দুই অংকের মূল্যস্ফীতি নিয়েই ২০২৪ সাল শেষ করেছে বাংলাদেশ।
সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯২ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।
আজ সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিদায়ী ২০২৪ সালের সর্বশেষ মাসের মূল্যস্ফীতি তথ্যতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএস বলছে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরের চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তার আগের বছরে, অর্থাৎ ২০২৩ সালে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৪৮।
বিবিসের তথ্যমতে, ডিসেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এছাড়া ডিসেম্বর মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ০৯ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
বিবিএসের এসব তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিদায়ী বছরের পুরো সময় দেশের মানুষ উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে চাপে ছিল। বিশেষ করে শহরের চেয়ে গ্রামের মানুষ মূল্যস্ফীতির কারণে বেশি ভুগছে। গ্রামীণ এলাকায় ডিসেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শহর অঞ্চলের তুলনায় বেশি ছিল।
সৌদি প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাড়ছে বিভিন্ন ফি
সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্কে দিশেহারা জেলেরা