ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ নেওয়ার অভিযোগে বিচার শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০০৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার জন্য লিবিয়ার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছিলেন তিনি। তবে সারকোজি বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় ফ্রান্সের এক আদালতে তার বিচার শুরু হয়।
ফিনান্সিয়াল প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রক্ষণশীল সাবেক এই নেতার বিরুদ্ধে সরকারি তহবিল আত্মসাৎ, দুর্নীতি, প্রচারণায় অবৈধ অর্থায়ন এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, লিবিয়া সরকারের সঙ্গে দুর্নীতির চুক্তি করেছিলেন তিনি। লিবিয়ার গুপ্তচর, একজন সাজাপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং গাদ্দাফি সারকোজির নির্বাচনী প্রচারণায় স্যুটকেসে করে প্যারিসে লাখ লাখ ইউরো পাঠিয়েছিলেন।
সারকোজির আইনজীবী বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আনা মামলাটি একটি বানোয়াট এবং এই প্রচারণায় লিবিয়া অর্থায়ন করেনি। আইনজীবী ক্রিস্টোফ ইনগ্রেইন বলেন, ‘১০ বছরের তদন্তের পরও বিশ্বজুড়ে সারকোজির অর্থায়নের কোনো চিহ্ন নেই; এমনকি কথিত অর্থায়নের জন্য একটি অর্থও নেই।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে সারকোজির ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো (৩ লাখ ৮৬ হাজার ডলার) জরিমানা হতে পারে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারকোজিকে বেশ কিছু আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তারের দায়ে তার সাজা বহাল রাখে। সারকোজিকে কারাগারে যাওয়ার পরিবর্তে এক বছরের জন্য ইলেকট্রনিক ব্রেসলেট পরার নির্দেশ দেওয়া হয়, যা দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য প্রথম।
অন্য একটি মামলায় সারকোজিকে নির্বাচনী প্রচারণায় অবৈধ ব্যয় গোপন করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং একটি বিচারাধীন রয়েছে।
সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে ৪০০ শতাংশ
এবার ভারতে পাওয়া গেল এইচএমপিভি ভাইরাস, আক্রান্ত দুই নবজাতক