জুলাই অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনলাসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) মীর মুগ্ধের দুই ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ও মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করে। তবে অভিযোগে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।
গত বছরের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পানির বোতল হাতে নিয়ে ‘পানি লাগবে ভাই, পানি?’ মীর মুগ্ধের এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। ১৮ জুলাই আন্দোলন ঘিরে উত্তরার আজমপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মীর মুগ্ধ। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে গণিতে স্নাতক পাসের পর বিইউপিতে এমবিএ করছিলেন।
অভিযোগ দায়ের শেষে মুগ্ধের দুই ভাই উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা বলেন, বৈষমবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন চলাকালে ঢাকার উত্তরায় পুলিশের গুলিতেই তাদের ভাই মীর মুগ্ধ নিহত হন। স্নিগ্ধ বলেন, ‘মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে একটা বিতর্ক ছিল যে, গুলিটা পুলিশ করেছে নাকি বাইরের কারো থেকে করানো হয়েছে। অথবা স্নাইপার থেকে করা হয়েছে কিনা। তবে আমাদের কাছে যে প্রমাণাদি আছে, তার মাধ্যমে আমরা বলতে পারি পুলিশের পক্ষ থেকে এই গুলি চালানো হয়েছে। আমরা যে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছি সেখানে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের চালানো গুলিতেই মুগ্ধের জীবন গেছে।’
মুগ্ধ নিহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই উল্লেখ করে তার আরেক ভাই দীপ্ত বলেন, ‘আমরা তার (মুগ্ধ) হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছি। এখন আমরা কোনো নাম দেইনি। তারাই (ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংসথা) এটিকে নিয়ে তদন্ত করবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণাদিসহ প্রকৃতভাবে যে নামগুলো আসবে, এই প্রাণঘাতী অস্ত্রকে ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে, এভাবে একে একে নামগুলো প্রমাণসহ আসা উচিৎ। যে কারণে আমরা নাম বাদে শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা আশা রাখছি, এই সরকার এবং ট্রাইব্যুনাল আমাদের আশা পূরণ করতে সক্ষম হবে।’
জামায়াত নেতা হত্যায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ভারতে নির্যাতনের ভিডিও বাংলাদেশের বলে প্রচার
শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আ. লীগের পুনর্বাসন ঠেকাবো: হাসনাত আব্দুল্লাহ