ছাত্রদের কল্যাণে ছাত্ররাজনীতি

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:০৩ এএম

সাধারণত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রশাসনিক সংগঠন হচ্ছে ছাত্র পরিষদ বা ছাত্র সংসদ। শিক্ষার্থীদের যাবতীয় দাবি-দাওয়া তুলে ধরার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম এই ছাত্র সংসদ যা শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্বাধীনভাবে কাজ করে। বিশ্ব জুড়ে নানা পর্যায়ের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংগঠনের অন্যতম কাজ ও দায়িত্ব হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদ্যায়তনিক অধিকার ও মর্যাদা সংরক্ষণ করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ন্যায্য দাবি-দাওয়া থাকে শিক্ষার্থীদের। এসব যৌক্তিক দাবি আদায়ে ছাত্র সংসদের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজের উন্নতি, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও নেতৃত্বের উন্নয়ন ঘটায়। ছাত্ররাজনীতি মূলত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি হলেও এর অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে, দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য উৎকৃষ্ট নেতা তৈরি করা। সংগতকারণেই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে সমাজের এগিয়ে থাকা মানুষ হিসেবে, বেশিরভাগ সময়েই শিক্ষার্থীদের ভূমিকা শুধুই নিজের প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদ্যায়তনিক কার্যক্রম ও দাবি আদায়ে সীমিত থাকেনি। আর্থ-সামাজিক অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধেও শিক্ষার্থীদের সোচ্চারণ দেখা গেছে বিশ্বের বহু রাষ্ট্রে। এমন সোচ্চারণের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বেরিয়ে এসেছে রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্ব।

ব্রিটিশ উপনিবেশ বিরুদ্ধতায় উপমহাদেশের শিক্ষার্থী সমাজের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। যার ধারাবাহিকতা পরিলক্ষিত হয় পাকিস্তান সময়েও। পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গীয় জনপদের মানুষের মুখে বিজাতীয় ভাষা উর্দু পুরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে, প্রথম সোচ্চারণ জানায় শিক্ষার্থীরাই। রাষ্ট্রনৈতিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এমনিতর প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হয়ে ওঠার প্রবণতা। যার চূড়ান্ত পরিণতিতে বায়ান্নতে জন্ম নেয় ভাষাভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। পাকিস্তানি শাসকদের যাবতীয় জনবিরুদ্ধতার বিরোধাত্মক সংগ্রাম রাষ্ট্রনৈতিক নেতৃত্ব অর্জনের পথে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যায় শিক্ষার্থীদের। জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের নানাবিধ স্বার্থসমীকরণের বিপরীতে নিজ দেশ, সমাজ ও পরিবারের স্বার্থসংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ সহজেই গ্রহণযোগ্যতা পায় জনসমাজের কাছে। যে কারণে এই জনপদের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বেশিরভাগ সময়েই জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ছাপিয়ে যায় ছাত্র নেতৃত্ব। মূলত ছাত্রদের নেতৃত্বেই জনগ্রাহ্যতা পায় পাকিস্তানবিরুদ্ধ বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা-পরবর্তী নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সবশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানটিও সংঘটিত হয় শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে।

বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই জনপদের মানুষের পাকিস্তানি উপনিবেশিক নিপীড়নমূলক শাসনের বিপরীতে স্বাধিকার, সেই থেকে স্বাধীনতা এবং তৎপরবর্তী স্বজাতীয় শাসকদের জনবিরুদ্ধতার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বসুলভ ভূমিকা ভয় ও শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়ায় জাতীয় নেতৃত্বের কাছে। মূলত এমনিতর ভয় ও শঙ্কা থেকেই বরাবরই শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বকে নিজেদের বাধ্যগত ও অনুগত রাখতে সচেষ্ট থেকেছে জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। বলা যায়, স্বাধীনতার অব্যবহিত পর থেকেই প্রধানত ক্ষমতাসীন দলগুলো নানা ধরনের অনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছাত্ররাজনীতি ও নেতৃত্বকে কলুষিত করার সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ছাত্ররাজনীতির স্বকীয় বৈশিষ্ট্য। শিক্ষা ও মননে দ্রোহের প্রতীক ছাত্রসমাজকে সাধারণের কাছে পরিচিত করানো হয়েছে ‘হেইট পলিটিক্স’ নামীয় প্রপঞ্চে। বিশেষ করে, গেল পনেরো বছরের আওয়ামী অপরায়নের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নিজস্ব ছাত্র সংগঠনের বাইরে তৎপরতা চালাতে দেওয়া হয়নি ভিন্ন মত-পথের অন্য কোনো ছাত্র সংগঠনকে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের নানান অনৈতিক সুবিধা, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এমনকি যৌন ব্যভিচারের মতো অকথ্য অশ্লীল কার্যকলাপকেও সরকারের তরফে বৈধতা দেওয়া হয়েছে শুধু নিজ দলীয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে।

প্রসঙ্গত, সরকারদলীয় কর্তৃত্ববাদী ছাত্র সংগঠনের বিপরীতে ভিন্নতর জনমুখী ছাত্ররাজনীতির বিকাশনকে রুদ্ধ করতে উপরোল্লিখিত কার্যক্রমেই সীমিত থাকেনি শাসক দল ও সরকারের রাষ্ট্রিক কাঠামো। এহেন দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এক প্রকার নিষিদ্ধ করা হয় ভিন্ন মত-পথের ছাত্ররাজনীতি ও রাজনৈতিক কার্যক্রম। প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সরকারি দলের অনুগত ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো হয় অস্বাভাবিক নির্যাতন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতাসীনদের অনুগত ছাত্র সংগঠনের একক আধিপত্য ধরে রাখতে সরকারের তরফে ছাত্রদের প্রতিনিধি তথা নেতৃত্ব নির্বাচনের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্কুলপর্যায়ে ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ নির্বাচনের মতো ভ-ামি করা হলেও গেল প্রায় ত্রিশ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কোনো প্রকার নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে দেয়নি ক্ষমতাসীনরা।

গত ৩০ বছর ধরে বিশেষ করে কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি বললেই হলো। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ না থাকায় ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ছাত্র সংগঠনের একাধিপত্যে নানান মাত্রায় দুর্বৃত্তপনায় জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছাত্ররাজনীতি হারায় তার জনমুখী চরিত্র। জনগ্রাহ্যতার তলানিতে গিয়ে ঠেকে ছাত্রদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। তবে রাষ্ট্র ও সরকারে চূড়ান্ত মাত্রার আর্থ-রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের জনক জাতীয় পর্যায়ের নেতৃত্বের ছাত্ররাজনীতিবিরুদ্ধ এমনিতর সব অপপ্রয়াস সত্ত্বেও এরশাদবিরোধী দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচারবিরুদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রভাগে থেকেছে এই শিক্ষার্থীরাই। নব্বই-পরবর্তী কথিত গণতান্ত্রিক সরকারগুলোর জনবিরুদ্ধতার প্রতিবাদের প্রথম সোচ্চারণ জানাতে অগ্রসর ভূমিকা রেখেছে ‘হেইট পলিটিক্স’-এর শিকার এ দেশের ছাত্রসমাজ। সবশেষ জুলাই জন-অভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের দ্রোহ, প্রতিবাদ আর জনমুখী নেতৃত্বের দুর্নিবারতা ধনিক শ্রেণি ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে যতটা শঙ্কায় ফেলেছে, ঠিক ততটাই আশাবাদী করেছে সাধারণ মানুষকে।

তবু রাজনৈতিক ও সামাজিক শ্রেণিভুক্ত অনেকেই দাবি তুলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের। এমনিতর দাবির পক্ষে এগিয়ে রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও উদগত রাজনৈতিক শক্তি জাতীয় নাগরিক কমিটি। এ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য আকরাম হুসাইন একটি জাতীয় দৈনিকে বলেছেন, ‘ছাত্ররাজনীতি করবে ছাত্ররা আমরা দীর্ঘদিন এ দাবি জানিয়ে আসছি। একই সঙ্গে ছাত্ররাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের স্বার্থে। আমাদের দেশে যে সংগঠনগুলো বিদ্যমান, সেগুলোর নেতৃস্থানীয় পদগুলোয় যারা আসেন তাদের বয়স ৩০-৩৫ বছর হয়। তারা নিয়মিত ছাত্র নন। দলগুলোকে অবশ্যই এ পদগুলো দিতে হবে নিয়মিত ছাত্রদের। পাশাপাশি নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ দুই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশাল এক পরিবর্তন আসবে।’ এ জন্য আকরাম হুসাইন দ্রুত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আমি মনে করি, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দিতে হবে এবং এ নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত করতে হবে। অনেকের ভয় থাকে যে, ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিলে রাষ্ট্রে বিশাল নেতিবাচক ঘটনা ঘটবে। প্রকৃতপক্ষে এমন কিছুই হবে না। সর্বশেষ ডাকসুর নির্বাচনে নুরুল হক নুর ভিপি হয়েছিলেন, কিন্তু পরে তিনি সরকার ফেলে দেওয়ার মতো কিছু করেননি। ইলেকশন কেন্দ্র করে অনেক ঘটনা ঘটে, কিন্তু এ জন্য কি আমরা নির্বাচন বন্ধ রাখব? ইলেকশন দিলে সমস্যা হবে, এমন ভয় দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধ রাখার চেষ্টা করা হয়। আওয়ামী লীগও নির্বাচনে বিএনপি বা জামায়াত এলে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে বলে ভয় দেখিয়ে ক্ষমতায় থেকেছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়েও অনেকে ভয়ভীতি দেখাতে পারেন, কিন্তু ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতেই হবে। নিয়মিত নির্বাচন হলে এ ধরনের সমস্যা থেকে আমরা উত্তীর্ণ হতে পারব। যদি নির্বাচন না হয়, তাহলে আমরা এ সমস্যার সমাধান পাব না। ফলে আমাদের জাতীয় রাজনীতিতেও শূন্যতা থেকে যাবে। এ জন্য যেকোনো মূল্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়মিত আয়োজন করতে হবে এবং বৈধ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।’ তবে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির অনুগত ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলসহ বাম ঘরানার ছাত্র সংগঠনগুলো বলছে, ‘নির্বাচন দিতে হবে। তবে তার আগে ডাকসুর বর্তমান ‘অগণতান্ত্রিক’ গঠনতন্ত্র সংস্কার করে তারপর নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।’ এ প্রসঙ্গে বর্তমানে ডাকসুর গঠনতান্ত্রিক যে কাঠামো, সেটিকে ‘মোটেই গণতান্ত্রিক নয়’ বলে মনে করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘এই কাঠামোর মধ্যে নির্বাচন হলে প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র মাথাচাড়া দেবে। তাই গঠনতন্ত্রের সংস্কার হওয়া জরুরি।’

এরই মধ্যে দেশের বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে উদ্যোগী হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) সায়মা হক বিদিশাও জানিয়েছেন, ‘ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি এবং ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির প্রকৃতি ও ধরন-বিষয়ক কমিটি এখন কাজ করছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই ডাকসু নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ পরিশেষে বলতে হয়, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ-পদ্ধতির আমূল সংস্কার জুলাই জন-অভ্যুত্থানজাত রাষ্ট্র সংস্কারের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের অন্যতম একটি অঙ্গীকার এবং সংগত কারণেই সেটি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের দাবি রাখে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনকে ‘আগে’ বা ‘পরে’র দোটানায় ফেলাটা কতটা যৌক্তিক, সেটিও ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে বৈকি।

লেখক: সাংবাদিক ও সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত