কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের (১৫) বাবা নূর ইসলাম নুরু বলেছেন, ‘আমি এখনও আমাদের মেয়ের মুখ ভুলতে পারি না। আমার চোখের সামনেই বিএসএফের গুলিতে ফেলানীর মৃত্যু হয়। ন্যায়বিচার পেতে আমি বহুবার ভারতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেই ন্যায়বিচার পাইনি।’ বর্তমান সরকারের কাছে মেয়ে হত্যার বিচার চেয়েছেন তিনি।
শুক্রবার বিকালে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামখানা গ্রামে ফেলানীর বাড়িতে যান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় নূর ইসলাম নুরু এ কথা বলেন।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হয় ফেলানী। তার দেহ সাড়ে চার ঘণ্টা কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে ছিল। এ ঘটনায় গণমাধ্যমসহ বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। তবে ফেলানীর হত্যা মামলা এখনও ভারতের সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে। এটি এখনও বিচারিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তার পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করছে।
ফেলানী হত্যার বিচার হতেই হবে: জামায়াত আমির