বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে তিনটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার ফুলতলী সীমান্তের ৪৭, ৪৮ ও ৪৯ নম্বর পিলার এলাকায় পৃথক সময়ে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী।
আহতরা হলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের আশারতলী এলাকার মো. হোসেনের ছেলে আলি হোসেন (৩৬) ও লেমুতলী নামক এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা জাফর আলমের ছেলে আরিফ উল্লাহ (৩২) ও দোছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড লেম্বুছড়ির বাসিন্দা মুজিবুর রহমানের ছেলে রাশেদুল ইসলাম রাসেল (২৫)।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সকাল থেকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে মাইন বিস্ফোরণে তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল আলম জানান, বিস্ফোরণে আহত তিনজনেই মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে গরু আনতে গিয়েছিল। সেখানে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। প্রথমে সকাল ৬টা, ১০টা ও সাড়ে ১০টা ভিন্ন সময়ে ভিন্ন জায়গায় মাইন বিস্ফোরণের আহত হন। প্রথমে আলী হোসেন আহত হন, পরে সকাল ১০টার দিকে আরেকটি মাইন বিস্ফোরণে আরিফ উল্লাহ ও সাড়ে ১০টার সময় রাসেল মাইন বিস্ফোরণে আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মো. মাসরুরুল হক স্থানীয়দের বরাতে বলেন, সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের আশারতলী সীমান্তের ৪৭, ৪৮ ও ৪৯ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় মিয়ানমার অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশ করে গরু আনতে গেলে মাটিতে পুঁতে রাখা মাইন আকস্মিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন আহত হন।
এ ব্যাপারে কথা বলতে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ককে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি কোনো ধরনের সাড়া দেননি।
