আওয়ামী লীগের মধ্যে ন্যূনতম সরি ফিলিংস নেই, এখনো হুমকি-ধমকি অব্যাহত আছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। গতকাল শুক্রবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ কোনো জাতীয় সম্পদের ক্ষতি না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘৩২ নম্বরের বাড়ি ৫ আগস্টেই ধূলিসাৎ করে দেওয়া উচিত ছিল, যেটা পরবর্তী সময়ে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে করেছে।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে সবচেয়ে স্বাধীনতা ভোগ করছে আওয়ামী লীগ।
তাদের কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কমেন্টে হুমকি-ধমকির স্বাধীনতা উপভোগ করছে।’
হাসনাত বলেন, ‘পরবর্তী বাংলাদেশটা আমাদের। আমরা যারা ফ্যাসিবাদ উৎখাত করেছি এই বাংলাদেশটা আমাদের।’
এ সময় তিনি সচিব-আমলাদের প্রতি ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, ‘আপনাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ। আপনারা জনগণের সেবা করতে আসছেন। আপনারা জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, আপনারা রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না। এটা নিজের মধ্যে ধারণ করুন। আপনারা যদি মনে করেন, সচিবালয়ে বসে, আপনারা ধানমন্ডির সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বিদ্যমান রাখবেন। তাহলে আওয়ামী লীগকে যেভাবে বাংলাদেশ থেকে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়া হয়েছে, ঠিক একইভাবে আপনাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়া হবে।’
হাসনাত বলেন, ‘জনগণের জন্য কাজ করুন, জনগণের শক্তি অনুধাবন করুন, আমি খুব করে চাইব, ধানমন্ডি ৩২-এর পরিণতি যেন সচিবালয়ের না হয়, আমি এটা খুব করে চাইব, মন থেকে চাইব কোনো এক সময়, হয়তো এই বছর না হোক, ১০ বছর পর হোক, ১৫ বছর পরে, ২০ বছর পরে সচিবালয়ের পরিণতি যেন গণভবনের মতো না হয়। সুতরাং শিক্ষা গ্রহণ করুন, ধানমন্ডি ৩২ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন, গণভবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।’
