ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কঠিন পরীক্ষার সামনে ভারত। কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার। তাদের ইনিংস থেমেছে ৪৯.৫ ওভারে ৩০৪ রানে। সিরিজ নিশ্চিত করতে হলে এবার রোহিত শর্মাদের তুলতে হবে ৩০৫ রানের বিশাল লক্ষ্য।
এই ম্যাচে ভারতের একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। অভিষেক হল মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর, যিনি টি-টোয়েন্টিতে নজর কাড়া পারফরম্যান্স দেখালেও ওয়ানডে অভিষেকে সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেননি। অপরদিকে, ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন বিরাট কোহলি। তবে তার অন্তর্ভুক্তিতে জায়গা হারিয়েছেন ইনফর্ম যশস্বী জাইসওয়াল, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
ফিল সল্ট ও বেন ডাকেটের ওপেনিং জুটিতে দুর্দান্ত শুরু করে ইংল্যান্ড। ৮১ রানের জুটির পর ডাকেটের ৫৬ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস থামান রবীন্দ্র জাদেজা। এর পর রানের গতি কিছুটা কমে যায়। জাদেজা তার বোলিং নৈপুণ্যে জো রুট (৬৯), ডাকেট ও জেইমি ওভারটনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।
ইনিংসের শেষভাগে ইংল্যান্ডের রান বাড়াতে অবদান রাখেন লিয়াম লিভিংস্টোন (৩২ বলে ৪১) ও আদিল রশিদ (৫ বলে ১৪)। তবে ভারতের পেসাররা ছিলেন অনিয়ন্ত্রিত। মোহাম্মদ শামি ৭.৫ ওভারে ৬৬ ও হর্ষিত রানা ৯ ওভারে ৬২ রান দেন। দুজনেই মাত্র ১টি করে উইকেট নিতে সক্ষম হন।
৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের ব্যাটারদের দায়িত্ব নিতে হবে। বিশেষ করে, কোহলি ও রোহিতের উপর থাকবে বাড়তি নজর। ব্যর্থ হলে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচের দিকে গড়াবে লড়াই, আর পেসারদের দুর্বলতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন উঠে যাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে।
ভারত কি এই লক্ষ্য তাড়া করে সিরিজ নিশ্চিত করতে পারবে? নাকি ইংল্যান্ড জিতে সিরিজে সমতা ফেরাবে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা আরও কিছুক্ষণ!
মুশফিকের সেলফিতে ফরচুন বরিশালের বিপিএল শিরোপা উদযাপন
অতিরিক্ত সময় বাতিল করতে চায় উয়েফা