অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন স্যার জিম র্যাটক্লিফ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সংখ্যালঘু মালিক মনে করছেন, বহুল আলোচিত ব্যয় সংকোচন নীতিই ক্লাবকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারে। গত তিন বছরে ইউনাইটেডের লোকসান ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড। ক্লাবের তহবিল প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল, র্যাটক্লিফের ২৪০ মিলিয়ন পাউন্ড ইনজেকশনই ইউনাইটেডকে টিকিয়ে রেখেছে।
চলতি বছর আরও ২০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা, এর আগে গ্রীষ্ম ও শরতে ২৫০ জন ছাঁটাই করা হয়েছিল।
সংকটের কারণ কী? দীর্ঘদিনের আর্থিক অব্যবস্থাপনা। ২০২২ সালে গ্লেজার পরিবারের ‘স্ট্র্যাটেজিক রিভিউ’ ঘোষণা, যার ফলে নতুন বিনিয়োগকারী খোঁজার চেষ্টা শুরু হয়।
র্যাটক্লিফের বিনিয়োগ আসার পর থেকেই ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ। ক্লাবের সর্বকালের সেরা ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অ্যাম্বাসেডর চুক্তি বাতিল, যা থেকে ক্লাব সাশ্রয় করবে বছরে ২ মিলিয়ন পাউন্ড।
অ্যাম্বাসেডর হিসেবে থাকা ব্রায়ান রবসন, অ্যান্ডি কোল, ডেনিস আর্উইনের বেতন কমানো হবে। ৩০ বছর ধরে ক্লাবের সঙ্গে থাকা জ্যাকি কে হারাচ্ছেন চাকরি। স্টাফদের বার্ষিক ১০০ পাউন্ড ক্রিসমাস বোনাস বাতিল, বদলে ৪০ পাউন্ড মূল্যের ভাউচার দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারিতে মাত্র ২৫.১ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে লেচে থেকে প্যাট্রিক ডরগুকে আনা হয়েছে। আর্সেনালের তরুণ ডিফেন্ডার আইডেন হেভেনকে আনতে খরচ হয়েছে মাত্র ১.৫ পাউন্ড মিলিয়ন। গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতেও বড় সংকটের আশঙ্কা।
নতুন কোচ রুবেন আমোরিম স্কোয়াড শক্তিশালী করতে চাইলে খেলোয়াড় বিক্রি করেই অর্থ জোগাড় করতে হবে।
র্যাটক্লিফের কৌশল নিয়ে ইউনাইটেড সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে মালিকপক্ষের দাবি, দুই বছরের মধ্যে ক্লাবকে লাভজনক করা ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে ফেরানোই এই কঠোর পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
আবারও ফিফার নিষেধাজ্ঞায় পাকিস্তান
শেষ মুহূর্তে মাইদার গোলে বেঁচে রইলো সেল্টিকের আশা, জিতলো বায়ার্ন