পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতুনির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের বিপরীতে সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। যার মেয়াদ হবে ৭ বছর। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ এডভাইজরি কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ।
সুকুক হচ্ছে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোতে সুদ ভিত্তিক যে বন্ড ইস্যু করা হয়ে থাকে ইসলামী ব্যাংকগুলোতে সেটার বিকল্প পদ্ধতি। যা ইসলামী শরিয়ার নীতি মেনে পরিচালিত হয় এবং সুদমুক্ত ব্যবস্থার ভিত্তিতে মুনাফা প্রদান করে। বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ এডভাইজরি কমিটির সব সদস্যের সম্মতিক্রমে প্রকল্পটির বিপরীতে সুকুক বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার ৭ বছর মেয়াদি সুকুক ইস্যুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচ্য সুকুকটি সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিপরীতে ইস্যু করা হবে বিবেচনায় সুকুকটির নামকরণ করা হয়েছে ইসটিনা ও ইজারা।
সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিআইডি) এর মাধ্যমে প্রকল্পটির আওতায় বাংলাদেশের আটটি বিভাগের ৫৮টি উপজেলায় ৮২টি সেতু নির্মাণের কাজ চলমান আছে। যার মোট দৈর্ঘ্য ১৭ হাজার ৬৯৭ মিটার, ৩৮ হাজার ৮০০ মিটার সংযোগ সড়ক ও ৪ হাজার ২৩০ মিটার নদী শাসনের কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও প্রকল্প এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ও অকৃষি পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সহজীকরণ ও ব্যয় হ্রাস এবং স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত হবে।
