পুলিশের অস্ত্র পোশাক হেলমেট ব্যবহার ছাত্রলীগের

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৫, ০৬:৪৫ এএম

তখন কোটা-আন্দোলন রূপ নিয়েছে গণঅভ্যুত্থানে। আন্দোলন দমাতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে চলছে গুলি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশবাহিনীর সঙ্গে ছাত্রলীগও হায়নার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছাত্রলীগও চালায় গুলি। পাখির মতো মানুষ মরে। এত বড় হত্যাযজ্ঞের পর এখন বেদনার্ত ক্ষত বেরিয়ে আসছে ভিন্ন রূপে। যেন ছাত্রলীগই পুলিশ; পুলিশই ছাত্রলীগ।

বর্তমান পুলিশের একটি গোপন প্রতিবেদন বলছে, ওই সময় ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশের পোশাক পরে পুলিশের অস্ত্র ব্যবহার করেছে ছাত্র-জনতার ওপর। তারা পুলিশের বুলেট প্রুফ জাকেট, হেলমেট ও পিস্তল পর্যন্ত ব্যবহার করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে এসব দৃশ্য দেখা গেছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। রিমান্ডে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা তথ্য দিয়েছে যে, আন্দোলনের সময় সারা দেশেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেশি বেপরোয়া ছিল। তারা পুলিশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও পিস্তল নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার উপর গুলি করেছে। ছাত্রলীগের পাশাপাশি যুবলীগের ক্যাডাররা হামলায় অংশ নিয়েছিল। পুলিশ একটি সূত্র জানিয়েছে. যেসব ছাত্রলীগ নেতা পুলিশের পোষাক ও অস্ত্র ব্যবহার করেছে তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে তালিকায় থাকা একাধিক নেতা দেশের বাইরে পালিয়ে গেছেন। আর যারা দেশে গোপনে আছেন তাদের ধরতে গত সপ্তাহে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সবকটি ইউনিট প্রধানদের কাছে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। তবে ছাত্রলীগ নেতারা কোথায় আছেন তা নিদিষ্ট করে বলতে পারছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা। তারা শুধু বলছেন, ‘তাদের খোঁজা হচ্ছে’। ইতিমধ্যে তালিকা ধরে অভিযানও চালানো হচ্ছে।

এদিকে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরঞ্জামাদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, বা সংগঠন ব্যবহার করেছে তা বের করতে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলে পড়ে ছাত্রলীগ। তীব্র হয় কোটাবিরোধী আন্দোলন। ঢাকাসহ সারা দেশেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে চালায় তান্ডব।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দমনপীড়ন চালায়। গুলিতে শিক্ষার্থী ও নিরীহ লোকজন, পুলিশ, আনসারসহ হাজারের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর কখনো ঘটেনি। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী, দখলদার, চাঁদাবাজ আর লুটপাটকারী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে সংগঠনের  নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকে কোটিপতি হয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃত পুলিশ কর্মকর্তাদের তথ্যে এসেছে ছাত্রলীগের অপকর্ম : ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে যান ভারতে। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ সবকটি অঙ্গসংগঠনের বড় বড় নেতারা চলে যান আত্মগোপনে। তাদের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষকর্তা থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত থাকেন আত্মগোপনে। পুলিশের খাতায় এখনো ২০২ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে আছেন অনুপস্থিত। তাছাড়া ৩৫ জনের মতো হয়েছেন গ্রেপ্তার। তাদের রিমান্ডে নিয়ে কয়েকদফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশ বেপরোয়া বলপ্রয়োগ করার কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। রিমান্ডে থাকাকালীন ধৃত পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্য সদস্যরাও জিজ্ঞাসাবাদে বলপ্রয়োগ, কার নির্দেশে ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে সেই তথ্যও দিয়েছেন তদন্তকারী সংস্থাগুলোর কাছে।

রিমান্ডে পুলিশ কর্মকর্তারা আরও তথ্য দিয়েছেন, আন্দোলনের সময় সারা দেশেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও পিস্তল নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার উপর গুলি করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের পাশাপাশি ছাত্রলীগের কোন কোন নেতা বেপরোয়া ছিল সেই বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অনুসন্ধান টিম গঠন : ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরঞ্জামাদি কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, বা সংগঠন ব্যবহার করেছে সেই রহস্য উদঘাটন করতে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তারা নানা বিষয়ে বিশ্লেষণ করছে। আন্দোলনের সময় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ভিডিও ফুটেজ, স্টিল ছবিগুলো বেশি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তর নিশ্চিত হয়েছে, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের অস্ত্র ও পোষাক ব্যবহার করে ফায়দা নিয়েছে।

কমিটির এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছি। আমরা সংক্ষেপে এটি গোপন প্রতিবেদন বলে থাকি। আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে পিস্তল ও বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ছাড়াও হেলমেট ব্যবহার করেছে। অতি উৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তারা ছাত্রলীগ নেতাদের পুলিশের সরঞ্জামাদি দিয়েছেন বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। প্রতিবেদনে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, পুলিশ সদর দপ্তর অনুসন্ধান করেছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানীর উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, চাঁনখারপুল, মিরপুর, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাস, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, রামপুরা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুরসহ আরও কয়েকটি জেলায় বেশি সংঘর্ষ হয়। এসব স্থানে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের অস্ত্র, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে একের পর এক হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাছাড়া ওইসব স্থানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও আমরা সংগ্রহ করেছি। রিমান্ডে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারাও ছাত্রলীগের বিষয়েও তথ্য দিয়েছেন। প্রতিটি বিষয় আমরা গভীরে গিয়ে তদন্ত করছি।

তালিকায় ১৪২ নেতার নাম : পুলিশের সরঞ্জামাদি ছাত্রলীগের যেসব নেতার তালিকা তৈরি করেছে। তালিকার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে ১৪২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া নেতাদের মধ্যে  সাভারের আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছাত্রলীগের ঢাকা জেলা উত্তরের উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ও আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহম্মেদ।

ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। রাজু থানা-পুলিশের হেলমেট, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও একটি পিস্তল ব্যবহার করেছে বলে নিশ্চিত হয়েছে অনুসন্ধান টিম। তাছাড়া মুন্সীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হেলমেট পরে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি করেন শহর ছাত্রলীগ সভাপতি নসিবুল ইসলাম নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন সাগর। তাদের অ্যাকশনের দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তারা ১৯ জুলাই ও ৪ আগস্ট সাধারণ শিক্ষার্থী ও লোকজনের উপর গুলি চালায়। তাদের নিজস্ব অস্ত্রের পাশাপাশি পুলিশের পিস্তল ও হেলমেট ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনার পতনের পর দুজনই পালিয়ে যান। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এই  সময় শহীদুল্লাহ হলের সামনে পিস্তল হাতে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি হাসান মোল্লাকে আন্দোলনকারীদের ওপর সরাসরি গুলি করে। তবে তাকে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের সামনেই তিনি গুলি চালান। পিস্তলটি পুলিশের কি না তা উদঘাটনের চেষ্টা করছে গঠিত অনুসন্ধান টিম। তাছাড়া হাসান মোল্লা দুটি বন্দুক ব্যবহার করেন সবসময়। তবে কোনোটিরই লাইসেন্স নেই। মূলত তার ঠিকাদারি ব্যবসা চালাতে এসব অস্ত্র ব্যবহার করেন। কোনো প্রতিষ্ঠান তাকে টেন্ডার দিতে না চাইলে সংশ্লিষ্টদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলতেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ। ঢাবি ক্যাম্পাস ছাড়াও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অস্ত্র হাতে গুলি করতে দেখা যায় নিউ মার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও জিগাতলা এলাকায়। তাদের বেশিরভাগই হেলমেট পরে অস্ত্রবাজি করেছে। তাদেরও শনাক্ত করার কাজ চলছে। গত বছর ২ আগস্ট জুমার নামাজের পর উত্তরা মাইলস্টোন কলেজের সামনে পুলিশের সঙ্গে অন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সেখানেও পুলিশের সঙ্গে সাধারণ পোশাকে ছাত্রদের ওপর গুলি চালায় হেলমেট পরিহিত অস্ত্রধারীরা। ছাত্রলীগ নেতারা থানা-পুলিশের হেলমেট ব্যবহার করে। পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে, থানা পুলিশের কাছ থেকে কেউ অন্ত্রও নিয়েছে। তাছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে আরও কিছু নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে পুলিশের গভীর সখ্যতাও ছিল।

পুলিশের বক্তব্য : পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি পদ মর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী কর্মকা- থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই তারা করেনি। কোটা বিরোধী আন্দোলনে তারা সাধারণ শিক্ষার্থী ও লোকজনের উপর নির্বিচারে হামলা করেছে। এসব অপকর্ম করার পেছনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তার সহায়তা ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগ মুহূর্তে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্য সংগঠনের সদস্যরা পুলিশের সামনেই নিরীহ শিক্ষার্থী ও লোকজনের উপর গুলি করার পাশাপাশি হকিস্টিক, রামদাসহ অন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। এমনকি ছাত্রলীগের নেতারা পুলিশের অস্ত্র, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট ব্যবহার করেছে সেই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ছাত্রলীগের হামলা শুরু হয় গত বছর ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে। পরে ঢাকার বাইরে যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলন শুরু হয়  সেখানেও ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের অস্ত্রধারী ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে। পরে  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সরকার পতনের এক দফায় গিয়ে ঠেকলে ছাত্রদের আন্দোলন গণআন্দোলনে রূপ নেয়। তখন পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগসহ অন্য সংগঠনের ক্যাডাররা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের দমন করতে তারাও নির্বিচারে গুলি চালায়। এই সময়ে কোনো কোনো এলাকায় পুলিশের সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে ছাত্রলীগের নেতারা। বিভিন্ন ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত